,

শিরোনাম :
«» গার্মেন্টস শ্রমিকের বোনাস ৩০ মে এবং বেতন ২ জুনের আগেই প্রদানের আহবান শ্রম প্রতিমন্ত্রীর «» জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি «» চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান মোমেনের «» কৃষকদের ধান কাটতে সহযোগিতা করছে ছাত্রলীগ «» দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সকলের দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী «» বিশ্বে সাম্য প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু থেকে শিক্ষা গ্রহণের অনেক কিছু আছে : তথ্যমন্ত্রী «» মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন, নির্বাচনে বিপুল বিজয়ে আন্তরিক অভিনন্দন «» চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে রেল সংযোগ নির্মাণে এডিবি সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর «» আসন্ন ঈদ-উল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আহবান «» শিশু-কিশোরদের জন্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়াতে হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ধ্বংসের ৩০ বছর পর পুননির্মিত হল মসজিদ, হাজারো মানুষের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- প্রায় তিন দশক আগে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া বসনিয়ার একটি প্রখ্যাত মসজিদ আবারো প্রার্থনার জন্য খোলা হয়েছে। এতে সেই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়। খবর বিবিসির।

১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত চলা বসনিয়া যুদ্ধের সময় বোমার আঘাতে আলাদজা নামের বিখ্যাত মসজিদটি ধ্বংস হয়।

বসনিয়ার ফোকা অঞ্চলে অবস্থিত আলাদজা মসজিদটি জাতিগত বিরোধের জেরে বসনিয়ার সার্ব সেনাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই যুদ্ধের শুরুতেই ধ্বংস করা হয়।

ষোড়শ শতাব্দীর ওই মসজিদটিকে অটোমান স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবে মনে করা হতো।

ঐতিহাসিক মসজিদটি পুনরায় নির্মাণ করতে কয়েক বছর সময় লেগেছে বলে জানা যায়। মসজিদটির পুনর্নির্মাণ কাজের অর্থায়ন করে তুরস্ক সহ বিভিন্ন দেশ।

মসজিদটি ১৫৫০ সালের দিকে তৈরি করা হয় – ডিনামাইট দিয়ে ধ্বংস করার আগ পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান ছিল মসজিদটির।

মসজিদে বিস্ফোরক স্থাপন করার অপরাধে ২০১৮ সালে সাবেক একজন বসনিয় সার্ব সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

মসজিদটির আদি প্রস্তর-শৈলীর যেসব অংশ বিস্ফোরণের পর পরিত্যক্ত করে মাটি চাপা দেয়া হয়েছিল, সেই অংশগুলোও আবার মাটির নিচ থেকে বের করে আনা হয়েছে।

ফোকা’তে মসজিদটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মুসলিম অংশগ্রহণ করেন।

বসনিয়ার মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা মসজিদটি পুননির্মাণ করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

সম্প্রদায়ের প্রধান হুসেইন কাবাজোভিচ বলেন, আমরা আজ আশা করতে পারি যে এখানকার মানুষের মধ্যে আবারো শান্তি ফিরে আসবে।

তুরস্কের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী মেহমেট নুরি এরসয় বলেন এই মসজিদের পুনরায় তৈরি হওয়ার বিষয় থেকেই বোঝা যায় যে ‘বর্ণ বৈষম্য এবং ঘৃণা বস্তুগত ক্ষতি সাধন করতে সক্ষম হলেও সংস্কৃতির মূলে থাকা শত শত বছর ধরে লালন করা সহাবস্থানকে নষ্ট করতে পারে না।’

Share Button
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : সিএনআই২৪ ডটকম লিমিটেড || Desing & Developed BY Themesbazar.com