,

শিরোনাম :
«» গার্মেন্টস শ্রমিকের বোনাস ৩০ মে এবং বেতন ২ জুনের আগেই প্রদানের আহবান শ্রম প্রতিমন্ত্রীর «» জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি «» চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান মোমেনের «» কৃষকদের ধান কাটতে সহযোগিতা করছে ছাত্রলীগ «» দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সকলের দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী «» বিশ্বে সাম্য প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু থেকে শিক্ষা গ্রহণের অনেক কিছু আছে : তথ্যমন্ত্রী «» মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন, নির্বাচনে বিপুল বিজয়ে আন্তরিক অভিনন্দন «» চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে রেল সংযোগ নির্মাণে এডিবি সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর «» আসন্ন ঈদ-উল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আহবান «» শিশু-কিশোরদের জন্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়াতে হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

হাই কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার খেলে এই ৫টি কাজ অবশ্যই করুন

স্বাস্হ্য ডেস্ক:-আমরা সকলেই খেতে খুব ভালোবাসি। যখনই আমরা ফাঁকা থাকি তখনই কিছু না কিছু আমরা জাঙ্ক ফুড খেতেই থাকি। যখন আমাদের বয়স কম থাকে, তখন আমরা এটা নিয়ে কিছুই ভাবি না। কিন্তু যতই আমাদের বয়স বাড়তে থাকে ততই আমরা নানা চিন্তায় ডুবে যাই। আমরা শরীর সম্বন্ধে ভাবতে শুরু করি। এর কারণ হল যত আমাদের বয়স বাড়ে ততই আমরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হই। এর মধ্যেই একটি হল কোলেস্টেরলের সমস্যা যেটা অনেক তেলতেলে খবার বা জাঙ্ক ফুড খেলে হয়। সমাধান খোঁজার আগে আসুন জানি কোলেস্টেরল কী।

কোলেস্টেরল হল একটি ফ্যাটি অ্যাসিড যা লিভারে তৈরি হয় আর এটি আমাদের শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগে। কিছু যখন এটি পরিমাণে বেড়ে যায় তখন এটি শরীরের জন্য ক্ষতি ডেকে আনে। আয়ুর্বেদ কিন্তু কোলেস্টেরলকে শরীরের জন্য অপকারী নয়, বরং উপকারীই বলেছে। তবে কোলেস্টেরলের সঙ্গে টক্সিন বা আম বেশি যুক্ত হয়ে গেলে কিন্তু সমস্যা দেখা দেয়।

মূলত হজমের সমস্যা হলে আম তৈরি হয় আর এটি সহজে শরীর থেকে বেরোয় না। যখন এই আমের পরিমাণ বেড়ে যায় তখন আমাদের শরীরের টিস্যুর উপর এর প্রভাব পড়ে আর তখনই কোলেস্টেরল, হার্টের সমস্যা হয়। তবে আপনি নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মানলে আর ভালো জীবন যাপন করলে কিন্তু কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

১. খাবার পর খানিক কসরত

না না, খাবার পর আপনাকে দৌড়তে বলছি না। কিন্তু তৈলাক্ত বা বেশি জাঙ্ক ফুড খাবার পর আপনি একটু হাঁটতে পারেন। ভারী ব্যায়াম তখন না করাই ভালো। এতে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরিও কিন্তু বার্ন হবে। ফলে খাবার পর হাঁটুন খানিক ক্ষণ।

২. উষ্ণ জল খান

খাবারের পর গরম জল খান। এটি আপনার তৈলাক্ত খাবারের প্রভাব অনেকটা কমিয়ে দেবে। অতিরিক্ত তেল আর ভাসবে না। ফলে লিভার, পাকস্থলী সবই খুব ভালো থাকবে। গ্যাসের সমস্যাও আর হবে না।

৩. খাবার পর ঘুম নয়

খাবার সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমোতে যাবেন না। চেষ্টা করুন খাবার অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমোতে যাবার। খবারের পর সঙ্গে সঙ্গে ঘুমোতে গেলে খাবারের থেকে এনার্জি পুরোটা কনসিউম হয় না আর তা ফ্যাট আকারে শরীরে জমা হয়। এটি কিন্তু কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়।

৪. তৈলাক্ত খাবারের সঙ্গে কোল্ড ড্রিঙ্কস নয়

তৈলাক্ত কিছু খাবারের সঙ্গে সঙ্গেই যদি ঠাণ্ডা পানীয় বা আইস ক্রিম খান, তাহলে কিন্তু বিপরীত প্রভাব পড়ে লিভার আর পাকস্থলীর উপর। গ্যাসের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। আর কোলেস্টেরলও মাত্রা ছাড়াতে পারে।

৫. এই কয়েকটি আয়ুর্বেদিক জিনিস খান

এখানে কয়েকটি আয়ুর্বেদিক জিনিসের কথা বলা হল যা আপনার কোলেস্টেরলের সমস্যার থেকে আপনাকে সহজেই মুক্তি দেবে।

ক. ত্রিফলা

তেলতেলে খাবার বেশি খাওয়া হয়ে গেলেই গরম জলের সঙ্গে ত্রিফলার গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি খুব কার্যকরী হজমের ক্ষেত্রে।

খ. গুগগুলু

এটিও একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা কোলেস্টেরল কম করে আর কোলেস্টেরলের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়। আপনি বাজারে ট্যাবলেটের আকারে এটি পাবেন। তবে খাবার আগে ডাক্তারের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

গ. গোটা গোলমরিচ

এটি ফ্যাট জমার থেকে আপনার লিভারকে রক্ষা করে। যেহেতু এটি খানিক ঝাল হয়, তাই আপনি এটি মধুর সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দু বার খান। তিন থেকে চার দিন এটি আপনি খেতে পারেন।

ঘ. মধু

আয়ুর্বেদ মতে মধু নাকি খুব ভালো অ্যান্টিডট তৈলাক্ত খাবারের জন্য। তাই যখনই মনে হবে সমস্যা হচ্ছে জাঙ্ক ফুড খেয়ে, মধু খেয়ে নিন গরম জলে গুলে। সঙ্গে সঙ্গে সমস্যা মিটবে।

এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই আপনার হজমের সমস্যা থাকবে না আর আপনি কোলেস্টেরলের থেকে মুক্ত হয়ে চলতে পারবেন।

Share Button
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : সিএনআই২৪ ডটকম লিমিটেড || Desing & Developed BY Themesbazar.com