,

শিরোনাম :

আশা শেষ দক্ষিণ আফ্রিকার,জয়ে ফিরেছে পাকিস্তান

স্পোর্ট ডেস্ক:-এই বিশ্বকাপে ক্যাচ ফেলা রীতিমতো একটা পাপে পরিণত হয়েছে। ক্যাচ ফেলেছেন তো ম্যাচও ফেলেছেন। সেই পাপ গুণে গুণে তিনবার করলো পাকিস্তান। দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার ও ভ্যান ডার ডুসেনের তিন তিনটি নিশ্চিত ক্যাচ ফেললেন সরফরাজরা। তবুও যেন কিছুই করার নেই এই দলটির। ৩০৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে একটিবারের জন্যেও মনে হলো না জেতার তাড়া আছে তাদের। রানের চাকায় লাগাম টেনে উইকেটে ধরে থাকার চেষ্টা করলেন। সেটাও ব্যর্থ হলো মোহাম্মদ আমির-সাদাব খানদের সামনে। অসহায় আত্মসমর্পণে গ্রহণ করলো নিজেদের সাত ম্যাচের মধ্যে পঞ্চম পরাজয়ের স্বাদ।

এই ম্যাচের মধ্যদিয়ে কাগুজে হিসাবও বাকি রইলো না দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে। সেমিফাইনালে খেলার সামান্যতম সুযোগও বাকি রইলো। অন্যদিকে পয়েন্ট টেবিলের তলানির দিকে থাকা পাকিস্তানের উন্নতিটা চোখে পড়ার মতো। ছয় ম্যাচের দুটিতে জয় ও ভাগ পাওয়া এক পয়েন্টে ভর করে ৫ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থান থেকে টেবিলে তাদের অবস্থান এখন সপ্তম। সমান সংখ্যক ম্যাচ থেকে সমান পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে টেবিলের ছয় নম্বরে বাংলাদেশ। এরফলে সেমিফাইনালের স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রাখলো পাকিস্তানিরা।

ইংল্যান্ডের লর্ডসে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। হারিস সোহেলের ঝড়ো ব্যাটিং ও বাবর আজমের দৃষ্টিনন্দন এক ইনিংসের সুবাদে ৩০৮ রানের বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ২৫৯ রানে শেষ হয় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।

জবাবে খেলতে নেমে দলীয় চার রানের মাথায় হাশিম আমলার পতন হয়। ব্যক্তিগত ২ রানে মোহাম্মদ আমিরের বলে এলবিডব্লিউ হন এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ভালোই খেলছিলেন কুইন্টন ডি কক ও ফাফ ডু প্লেসিস। ডি কককে ফিরিয়ে ৮৭ রানের এই জুটি ভেঙেছেন সাদাব খান। ৬৩ রানের ব্যক্তিগত ইনিংস খেলে স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন ফাফ ডু প্লেসিস। দলীয় ১৩৬ রানের মাথায় আমিরের দ্বিতীয় শিকার হয়ে দলকে চাপে ফেলে দেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। এরপর ডেভিল মিলার ও ভ্যান ডার ডুসেন মিলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও লম্বা করতে পারেননি সেই যাত্রা।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ফখর জামান ও ইমাম উল হক। দলীয় ৮১ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয় পাকিস্তানের। ব্যক্তিগত ৪৪ রানে ইমরান তাহিরের বলে হাশিম আমলার হাতে ক্যাচ দেন ফখর জামান। আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইমাম উল হকও ব্যক্তিগত ৪৪ রানে ইমরান তাহিরের শিকার হলে ৯৮ রানে দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলীয় ১৪৩ রানের মাথায় মোহাম্মদ হাফিজ আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন বাবর আজম। ব্যক্তিগত ৬৯ রান করে বাবর যখন সাজঘরে ফেরেন, ততক্ষণে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২২৪ রান।

এরপর মাঠে নেমেই ঝড়ো গতিতে রান তুলতে থাকেন হারিস সোহেল। তার ৫৯ বলে ৮৯ রানের দানবীয় ইনিংসে ভর করে বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। যোগ্য সঙ্গী হিসেবে তাকে সাপোর্ট দিয়েছেন ইমাদ আলী। এদিন পাকিস্তানের টপ ও মিডল অর্ডারের সব ব্যাটসম্যানই রানের দেখা পেয়েছেন।

Share Button
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : সিএনআই২৪ ডটকম লিমিটেড || Desing & Developed BY Themesbazar.com