,

শিরোনাম :
«» আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে ইংল্যান্ড «» রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য রিয়াদে কূটনৈতিকদের প্রতি রাষ্ট্রদূতের আহবান «» অর্থনৈতিক অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী «» কার্তিকের সঙ্গে সম্পর্ক কি মেনে নিয়েছেন সারার মা অমৃতা সিং? «» বিএনপি ভিতরে ভিতরে ষড়যন্ত্র করছে : মোহাম্মদ নাসিম «» ইমাম বুখারীর মাজার জিয়ারত রাষ্ট্রপতির «» ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ইভিএম ছিনতাইয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা: ইসি সচিব «» বাংলাদেশের দিনাজপুরে প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার «» যুক্তরাষ্ট্রে নাসা’র কর্মসূচিতে যাচ্ছে শাবির ‘টিম অলিক’ «» ৮,০৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ প্রকল্পের অনুমোদন

বাংলাদেশ অভিবাসন ব্যবস্থাপনার জাতীয় কৌশলের খসড়া প্রণয়ন করেছে : রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন

নিউজ ডেস্ক:–উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত রূপকল্পে অভিবাসন স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়ন আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সকল অংশীজনদের সহযোগিতা নিয়ে অভিবাসন ব্যবস্থাপনার জাতীয় কৌশলের খসড়া প্রণয়ন করেছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৯ ডিসেম্বর ‘বৈশ্বিক অভিবাসন কম্পাক্ট’ (the Global Compact on Migration) সংক্রান্ত রেজুলেশনটি গৃহীত হওয়া উপলক্ষে প্রদত্ত বক্তব্যে একথা বলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, অভিবাসন সংক্রান্ত নিউইয়র্ক ডিক্লারেশন গ্রহণের পর আমরা অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। এখন এটি বাস্তবায়নের সময়। সম্প্রতি মরক্কোর মারাকাসে অনুষ্ঠিত অভিবাসন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ‘বৈশ্বিক অভিবাসন কম্পাক্ট’ এ বর্ণিত চারটি মূল বিষয় আবারো সভায় উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ। বিষয় চারটি হলো: ১) অভিবাসন চক্রের ক্ষতিকর দিক নির্মূল, ২) অভিবাসন প্রক্রিয়ায় মূল্য সংযোগ, ৩) সকল অভিবাসীদের মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং ৪) অভিবাসন ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রদান। স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, এ সভায় গৃহীত এই বৈশ্বিক অভিবাসন কম্পাক্টের প্রস্তাবনাসমূহ বাস্তবায়নকল্পে এ চারটি বিষয় সন্নিবেশিত করে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের জন্য একটি ‘জাতীয় অভিবাসন কৌশল’ প্রণয়ন করা অপরিহার্য।
উল্লেখ্য নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও নিয়মিত অভিবাসনের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশই প্রথম এই ‘বৈশ্বিক অভিবাসন কম্পাক্ট’ ধারণাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে উত্থাপন করে যা দু’বছরেরও অধিক সময় ব্যাপী নেগোসিয়েশনের পর ১৯ ডিসেম্বর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। বাংলাদেশসহ ১৫২টি দেশ এতে পক্ষে ভোট দেয়; বিপক্ষে ৫টি এবং ভোট প্রদানে বিরত থাকে ১২টি দেশ।

Share Button
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : সিএনআই২৪ ডটকম লিমিটেড || Desing & Developed BY Themesbazar.com