,

শিরোনাম :
«» উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চাই : মো. শাহাব উদ্দিন «» দলীয় কর্মীদের প্রতি তথ্যমন্ত্রী,বিজয়ে বিনয়ী হোন যাতে মানুষ ভালোবাসে «» আলোকচিত্র কথার চেয়ে শক্তিশালী : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী «» মৎস্য অভয়াশ্রমকে লিজ না দেওয়ার নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর «» কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সংঘটিত শ্রমিক সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ গৃহীত «» জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জোটে নীতি ও আদর্শের ঘাটতি আছে : ওবায়দুল কাদের «» আওয়ামী লীগের বিজয় এশিয়া ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য ইতিবাচক ফল আনতে সহায়ক হবে : বিশেষজ্ঞগণ «» এরশাদের অবর্তমানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব জিএম কাদেরের «» বিজয় সমাবেশ ঘিরে ডিএমপি’র ট্রাফিক নির্দেশনা «» আগামীকাল আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ

রিজার্ভ চুরি ঘটনায় : ফিলিপাইনের ব্যাংক ম্যানেজারের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক:–বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের এক ব্যাংক ম্যানেজারকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দেশটির একটি আঞ্চলিক আদালত। বিশ্বের অন্যতম আলোচিত এই সাইবার অপরাধের ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার অর্থ চুরি যায়। এই ঘটনায় এটিই প্রথম কারো সাজার রায়।

ম্যানিলা ভিত্তিক রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংক কর্প (আরসিবিসি) এর একজন সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মায়া দেগুইতোর বিরুদ্ধে এই রায় দেয়া হয়। মানি লন্ডারিং আইনে ৮টি অভিযোগে ৪ থেকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এতে তার মোট ৩২ থেকে ৫৬ বছর কারাদণ্ড হয়েছে। রায়ে ওই ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১০৯ মিলিয়ন ডলার জরিমানাও করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আলোচিত এই ঘটনা ঘটে। যেখানে সুইফট কোড ভেঙে এই চুরি করা হয়। নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশের থাকা রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি করা হয়।

চুরি করা অর্থ আরসিবিসির একটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। এরপর তা ফিলিপাইনের ক্যাসিনো ইন্টাস্ট্রিতে স্থানান্তর করা হয়। আরসিবিসির যে শাখায় এই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছিল তারই ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে ছিলেন দেগুইতো।

আদালত এই মামলার ২৬ পৃষ্ঠার রায় দিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, এই লেনদেনের ব্যাপারে তাদের কিছুই করার নেই; উন্মুক্ত আদালতে তার দেয়া এমন বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

আদালত বলেছে, অবৈধ এই লেনদেনের দেগুইতো সহযোগিতা করেছেন এবং লাভবান হয়েছেন।

এদিকে আরসিবিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেগুইতো ব্যাংকে তার অবস্থানের কারণে পরিস্থিতির শিকার।

এএনসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে দেগুইতোর আইনজীবী বলেন, সে একজন নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা এবং তার এই বিষয়ে করার কিছু ছিল না।

এই ঘটনার পর ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরসিবিসিকে প্রায় ১৯ মিলয়ন ডলার জরিমানা করেছিল। একইসঙ্গে ব্যাংকের একজন ট্রেজারার ও লেনদেনের সঙ্গে জড়িত পাঁচ ব্যাংক কর্মকর্তাকে তখন প্রত্যাহার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধেও মানি লন্ডারিং আইনে অভিযোগ আনা হয়।

রায়ের পর রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিলিপাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসাদ আসলাম বলেন, আমরা আশা করছি এই মামলায় দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

এই ঘটনার পর ১৫ মিলিয়ন ডলার ক্যাসিনো মার্কেট থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল দেশটি। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ফিলিপাইন সফর করে।

ইত্তেফাক

Share
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : সিএনআই২৪ ডটকম লিমিটেড || Desing & Developed BY Themesbazar.com