×
ব্রেকিং নিউজ :
বাঙালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন সরকার প্রশাসনকে মুখোশ পরিধানের ব্যাপারে আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা সৃষ্টির নির্দেশ দিয়েছে : মন্ত্রিপরিষদ সচিব বঙ্গবন্ধুই সাংবাদিকদের জন্য প্রেস ইনষ্টিটিউট গঠন করেছিলেন: হানিফ করোনা ভ্যাকসিন আগে পাওয়াই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী পানামায় আকস্মিক বন্যায় একই পরিবারের ১১ জনের প্রাণহানি আফগানিস্তানে বোমা হামলায় ৮ বেসামরিক নাগরিক নিহত বুধবার থেকে শারিরীক উপস্থিতি এবং ভার্চুয়ালি বিচারকার্য পরিচালনায় হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির কোভিড-১৯ পজেটিভ ডিসেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ সিটিকে জঞ্জালমুক্ত করা হবে : মেয়র তাপস
  • আপডেট টাইম : 22/07/2020 07:34 PM
  • 80 বার পঠিত

অর্থ পাঁচারের দুটি মামলায় ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রফিকুল আমিন চিকিৎসার নামে দীর্ঘদিন হাসপাতালে অবস্থানের বিষয়ে হাইকোর্টে আবেদন দেবে দুদক। আজ বুধবার তার জামিন আবেদনের শুনানিতে এ বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হলে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

শুনানিতে দুদক কোসুলি খুরশীদ আলম খান আদালতে বলেন, পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে গত বছরের ১১ মার্চ থেকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে আছেন রফিকুল আমিন। এর আগে তিনি দীর্ঘসময় বারডেম হাসপাতালে ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ ২৭ বার চিঠি দিলেও তাকে কারাগারে পাঠায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।করোনাকালে যেখানে মানুষ চিকিৎসা সেবা পেতে হাসপাতালে ভর্তি হতে পারছে না সেখানে এই ধরনের আসামি হাসপাতালের রুম দখল করে আছে কোন শক্তির প্রভাবে।

এ পর্যায়ে আদালত বলেন, চিকিৎসার নামে যদি সে হাসপাতালে অবস্থান করে থাকে তাহলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন দিতে পারেন।

বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একক ভার্চুয়াল বেঞ্চে এ শুনানি চলে। এ সময় ডেসটিনির এমডি রফিকুল ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিন বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে হাইকোর্ট আসামিদের চারটি জামিন আবেদন নিয়মিত কোর্ট খোলা না হওয়া পর্যন্ত স্ট্যান্ড ওভার রাখেন

প্রসঙ্গত, কয়েক হাজার কোটি টাকা অর্থ পাঁচারের অভিযোগে ডেসটিনির রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুটি মামলা করে দুদক। এই মামলায় ওই বছরের ১১ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন তারা। পরে একাধিকবার জামিন চেয়ে আবেদন করেন আসামিরা। কিন্তু আদালত জামিন দেয়নি। করোনাকালে ভার্চুয়াল কোর্টে মেডিক্যাল গ্রাউন্ড ও দীর্ঘ কারাভোগের কারণ দেখিয়ে আবারে জামিন চান আসামিরা। আদালতে আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু ও এম. মাইনুল ইসলাম এবং দুদকের পক্ষে মো. খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...