×
  • আপডেট টাইম : 28/07/2020 05:27 AM
  • 126 বার পঠিত

বিষয়: কোম্পানী বা পার্টনারশীপ ফার্ম এর শেয়ার বা অংশ হস্তান্তর বা বিক্রয়ের সময় নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এর সঠিক ব্যবহার এর মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য আবেদন।


আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন কোম্পানী, পার্টনারশীপ ফার্ম, ট্রেড অর্গানাইজেশন, সোসাইটি, ফাউন্ডেশন, ট্রাষ্ট, ট্যাক্স, ভ্যাট এর আইনগত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে আসছি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য বাংলাদেশ যখন আজ উন্নয়নের অভিযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে তখন দেশের অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে রাজস্ব বৃদ্ধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিক গুরুত্ব পূর্ণবিষয়। বিরাজমান আইনি কাঠামোর ভেতর কতিপয় সংশোধন সাপেক্ষে বর্তমান আদায়যোগ্য রাজস্বের পরিমাণ ও গ্রাহক সেবার মান বহুগুণে বৃদ্ধি করা সম্ভব। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার অনুসারী এক নগণ্য কর্মী হয়ে, একজন দেশপ্রেমিক সচেতন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের অধিকতর আর্থিক উন্নয়নের জন্য আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিম্ন লিখিত কিছু প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য তুলে ধরছি। কোম্পানী বা পার্টনারশীপ ফার্ম এর মালিক বা মালিকগণ যখন তাহার নিজের নামের সম্পূর্ন শেয়ার বা আংশিক অংশ, শেয়ার বা অংশ অন্যের নিকট হস্তান্তর বা বিক্রয় করেন তখন লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে INSTRUMENT OF TRANSFER OF SHARES FORM–117 এবং ২০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এ অঋঋওউঅঠওঞ এর মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয় এবং প্রতি ২০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এর একটি AFFIDAVIT যখন আরজেএসসি তে অনলাইন করা হয় তখন প্রতিটি AFFIDAVIT এর বিপরীতে সরকার ৪০০ টাকা ফি এবং ৬০ টাকা ভ্যাট পায় ও প্রতিটি INSTRUMENT OF TRANSFER OF SHARES FORM–117 অনলাইন করার সময় ও সরকার ৪০০ টাকা ফি ও ৬০ টাকা ভ্যাট পায় কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কোম্পানীর শেয়ার বিক্রয় (Transferor) করবেন একজন পরিচালক বা শেয়ার হোল্ডার আর ক্রেতা (Transferee) ৫ জন সেক্ষেত্রে শেয়ার হস্তান্তরের জন্য প্রতি ক্রেতা (Transferee) একটি INSTRUMENT OF TRANSFER OF SHARES FORM–117 পায়, আর স্ট্যাম্প ব্যবহারের সময় দেখা যায় ২০০ টাকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এ একটি AFFIDAVIT এ ৫ জনের শেয়ার উল্লেখ করা হয়। সেক্ষেত্রে সরকার একটি INSTRUMENT OF TRANSFER OF SHARES FORM–117, আরজেএসসিতে অনলাইন করলে সরকার ফি পায় ৪০০ টাকা, ভ্যাট পায় ৬০ টাকা। এ ক্ষেত্রে যদি ৫ জন ক্রেতার (Transferee) আলাদা ভাবে ৫টি INSTRUMENT OF TRANSFER OF SHARES FORM–117 এর বীপরীতে ২০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এ ৫ টি অঋঋওউঅঠওঞ দেয়া হলে আর জে এস সি তে অনলাইন করার সময় সরকার রাজস্ব পায় ৫টি AFFIDAVIT বাবদ ৪০০x৫=২০০০ টাকা এবং ভ্যাট পায় ৬০x৫=৩০০ টাকা, আর এই ৪ টি AFFIDAVIT দেয়া হলে ৮ টি ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সরকারের বেশি বিক্রয় হলে সরকার সেখানে ও লাভবান হবে এবং ক্রেতা (Transferee) ও বিত্রেতার (Transferee) বিক্রয় চুক্তি নামাটি আলাদা-আলাদা AFFIDAVIT তৈরি করলে বিক্রয় চুক্তি নামাটি একটি স্বচ্ছ বিক্রয় চুক্তি নামা হবে ও প্রত্যেক ক্রেতা (Transferee) একটি আলাদা AFFIDAVIT প্রাপ্তি হবেন। তদ্রুপ পার্টনারশীপ ফার্ম এর একজন অংশীদার ও একাধিক অংশীদারের নিকট তাহার আংশিক বা সম্পূর্ন অংশ হস্তান্তরের সময় একাধিক AFFIDAVIT ব্যবহার করলে আর জে এস সি তে অনলাইন করার সময় সরকার রাজস্ব বেশি পাবে। অর্থাৎ প্রতি ক্রেতার (Transferee) নামে আলাদা AFFIDAVIT অনলাইন করা হলে সরকার প্রতি বছর প্রচুর রাজস্ব আহরণ করতে পারবে।

যাহাতে কোম্পানীর বা পার্টনারশীপ ফার্ম এর একজন মালিকের শেয়ার বা অংশ একাধিক মালিকের নিকট হস্তান্তরের সময় প্রতিটি INSTRUMENT OF TRANSFER OF SHARES FORM–117 এর বিপরীতে ১০০ টাকার নন জুডিশিয়াল ২ টি স্ট্যাম্পে একটি AFFIDAVIT তৈরী করে অর্থাৎ প্রতি ক্রেতার (Transferee) নামে AFFIDAVIT অনলাইন করা হলে সরকার প্রতি বছর প্রচুর রাজস্ব বেশি পাবে, প্রতি ক্রেতার (Transferee) নামে AFFIDAVIT আর জে এস সি তে অনলাইন করার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হয় তাহার বিধিত বিধান করার আজ্ঞা হয়। সদয় ও অবগতির যথাযথ আইনানুগব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুলিপি (জ্যেষ্টতার ভিত্তিতে নহে):- ১। চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা। ২। গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ভবন, মতিঝিল, ঢাকা। ৩। চেয়ারম্যান, সিকিউরিটিজ এন্ড একচেη কমিশন, এসইসি ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা। ৪। সচিব, আইন মন্ত্রনালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সচিবলায়, ঢাকা। ৫। সচিব, অর্থ মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সচিবলায়, ঢাকা। ৬। সচিব, বানিজ্য মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সচিবলায়, ঢাকা। ৭। সচিব, (জন নিরাপত্তা) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সচিবলায়, ঢাকা। ৮। সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এবং ইন্ডাট্রিজ, মতিঝিল, ঢাকা।

মো: আবুল বরকত সেরনিয়াবাত 
এম.এ, এম.বি.এ, এলএল.বি, এলএল.এম, 
প্রাক্টিক্যাল ট্যাক্স এন্ড ভ্যাট ম্যানেজমেন্ট (বি আই এম)
সিএস (এফ লেভেল), মাষ্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট (ঢা:বি:)
ঠিকানা: ৫৬০/১, কাজীপাড়া, বাস স্ট্যান্ড, মিরপুর, ঢাকা

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...