Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
দেশের সব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ৩১ জুলাই দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ৭, সুস্থ ৮৯৪ জন জনগণের জন্য খাদ্য, বাসস্থান ও টিকার প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সিএজি’র প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির দন্ডিত আসামীকে দিয়ে বিএনপি’র সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন : সেতুমন্ত্রী মুশতাকের মৃত্যুতে বিদেশিদের বিবৃতিতে শিষ্টাচার লংঘিত হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো অগ্রগতি অর্জন করেছে : বঙ্গবন্ধুর গতিশীলতা ও দূরদর্শিতার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতি চারজনে একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে : ডব্লিওএইচও মিয়ানমারে অভ্যুত্থান বিরোধী বিক্ষোভকালে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি
  • আপডেট টাইম : 22/02/2021 08:04 PM
  • 15 বার পঠিত

এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, শিশু রাকিবকে হত্যার দায়ে আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড আপিল বিভাগেও বহাল রাখার রায় অপরাধীদের জন্য একটি বার্তা।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ আসামিদের আপিল খারিজ করে আজ এ রায় দেয়। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় এটর্নি জেনারেল এ কথা বলেন। তিনি বলেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তারা নরপিশাচ। যাদের কারণে এ ধরণের জগণ্যতম ঘৃণ্য হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে আজকের রায় তাদের জন্যে একটি বার্তা। যারা এ ধরণের অপরাধ করবে তাদের জন্য শাস্তি অনিবার্য। এটর্নি জেনারেল আরও বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে দু’টো বিষয় প্রতিষ্ঠিত হলো একটা হচ্ছে অপরাধের শাস্তি দেয়া, অপরটি বার্তা পৌঁছে দেয়া।
খুলনার শিশু রাকিব হত্যা মামলার আসামি ওমর শরীফ ও মিন্টুকে হাইকোর্টের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদন্ড বহাল রেখে আজ রায় দিয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
২০১৫ সালের ৩ আগস্ট খুলনার টুটুপাড়া কবরখানা মোড়ে শরীফ মোটরস নামের এক গ্যারেজে চাকায় হাওয়া দেয়ার কমপ্রেশার মেশিনের মাধ্যমে মলদ্বারে হাওয়া ঢুকিয়ে হত্যা করা হয় শিশু রাকিবকে। ঘটানার পরদিন রাকিবের বাবা মো. নুরুল আলম বাদী হয়ে শরীফ, মিন্টু ও শরীফের মা বিউটি বেগমের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
ওই ঘটনার মামলা হওয়ার ৯৬ দিন পর বিচার প্রক্রিয়া শেষে একই বছরের ৮ নভেম্বর রায় দেয় খুলনার আদালত। ওই রায়ে এই মামলার আসামি শরীফ মোটরসের মালিক ওমর শরীফ ও তার সহযোগী মিন্টুকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। এরপর রায়সহ মামলার নথি ওই বছরের ১০ নভেম্বর হাইকোর্টে আসে এবং ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত হয়। সেই সঙ্গে দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...