×
ব্রেকিং নিউজ :
তিনি নির্বাচিত হলে মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা দেশগুলোকে ‘মূল্য দিতে হবে’ : বাইডেন নেভালনিকে ব্যক্তিগতভাবে জার্মানিতে চিকিৎসার অনুমতি দিলেন পুতিন সমুদ্র বন্দরসমূহের জন্য চার নম্বর সতর্কতা সংকেত ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষম হচ্ছে দেশ : পরিবেশ মন্ত্রী কৃষি উৎপাদন ও মজুদ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক বঙ্গবন্ধুর নামে পদক প্রবর্তন সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চাইনিজ ফুটবলের ফাইনালে ১০ হাজার দর্শক প্রবেশের অনুমোদন : এফএ কর্মকর্তা দেশে সকল ধর্মের মানুষ সুন্দর পরিবেশে নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করছে : স্পিকার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে র‌্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
  • আপডেট টাইম : 30/08/2020 04:17 AM
  • 125 বার পঠিত
লেখক

হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। ইসলামী পরিভাষায় মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলে। আশুরা শব্দটি আরবি ‘আশারা’ থেকে এসেছে। এর অর্থ দশ। আর আশুরা মানে দশম। সৃষ্টির পর থেকে আশুরার দিনে অনেক তাৎপর্যমন্ডিত ঘটনা ঘটেছে বিধায় এই দিনের মর্যাদা ও মাহাত্ম্য অনেক। আল্লাহ রব্বুল আলামিন যেদিন আকাশ, বাতাস, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, জান্নাত-জাহান্নাম, লাওহে মাহফুজ ও যাবতীয় জীবের আত্মা সৃজন করেন, সেই দিনটি ছিল ১০ মহররম তথা পবিত্র আশুরা দিবস। আবার এ দিনেরই কোনো এক জুমার দিন হজরত ইসরাফিল (আ.)-এর শিঙ্গার ফুৎকারে মহাবিশ্ব ধ্বংস হবে; নেমে আসবে মহাপ্রলয় কিয়ামত।

বিশ্ব সৃষ্টির পর থেকে আশুরার দিন বা মহররমের ১০ তারিখ নানা তাৎপর্যময় ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এই আশুরার দিনেই ঘটে গেছে ইতিহাসের এক মর্মস্পর্শী ঘটনা। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৌহিত্র হজরত হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাত এ আশুরার দিনেই হয়। ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম হুসাইন (রা.) সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে সপরিবারে অত্যন্ত নির্মমভাবে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। কারবালার প্রান্তরে হজরত হুসাইন (রা.) নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করার যে শিক্ষা দিয়ে গেছেন, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য এ আত্মত্যাগ বিশ্বের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। হজরত হুসাইন (রা.) হিকমতের পথ অবলম্বন করে ইয়াজিদের আনুগত্য স্বীকার করতে পারতেন। কিন্তু তিনি ও আহলে বাইতের সদস্যরা সে পথ অবলম্বন করেননি। তিনি যে একাই শহীদ হয়েছেন তা নয়। তিনি এক এক করে প্রত্যেক যুবককে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠালেন। ত্যাগের আত্মদান নিজ চোখে অবলোকন করলেন। এরপর সর্বশেষ শহীদ হলেন হজরত হুসাইন ইবনে আলী (রা.) নিজেই। ইরাকের কারলার ময়দানে তাঁর সাথীরা ক্ষুধার্ত, পিপাসার্ত, অত্যাচারিত, তবু সত্যকে তিনি বিসর্জন দেননি; কারণ তিনি হলেন জান্নাতে যুবকদের সরদার। তিনিই সত্যকে, দীনকে মর্যাদার উচ্চশিখরে স্থাপন করেছেন। নিজ জীবনে রক্তের শেষ বিন্দু কারবালার জমিনে উৎসর্গ করে দীন (ইসলাম) ও উম্মতে মুহাম্মাদীকে দুনিয়ার বুকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। প্রতি বছর আমাদের মাঝে মহররম মাস ফিরে এসে সেই শিক্ষার কথাই বার বার স্মরণ করিয়ে দেয়। আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে পবিত্র আশুরার বরকত ও কারবালার শিক্ষা অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দান করুন। আহলে বাইতের রুহানি সন্তুষ্টি আমাদের নসিবে জুটিয়ে দিন।আমিন

লেখক : সাংবাদিক শাহ্ মোঃ দিদার হোসাইন,চেয়ারম্যান ও সম্পাদক , সংবাদ বিডি.টিভি লিঃ ও সি এন আই ২৪.কম লিঃ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...