Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ৪৬ জন দলিত শিক্ষার্থী ও ৯টি এতিমখানার মাঝে চেক বিতরণ পুঁজিবাজার বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হবে : ভূমিমন্ত্রী জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান লেকসিটিতে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম হয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে : চসিক মেয়র কোন সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না : তথ্যমন্ত্রী ই-কমার্সে অস্বাভাবিক অফার দিয়ে পণ্য বিক্রি করলে মামলা করবে প্রতিযোগিতা কমিশন বার্বাডোজের প্রধানমন্ত্রী মোটলির শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার প্রদান স্থানীয় সরকার নির্বাচন তৃণমূলে গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করে: ওবায়দুল কাদের করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • আপডেট টাইম : 13/09/2021 10:46 PM
  • 43 বার পঠিত

বরগুনা উপকূলীয় এলাকার মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং সকল পাকা সড়কেই পুরোদমে আউশ ধান মাড়াই ও খড়-কুটো শুঁকাচ্ছেন স্থানীয়রা। এতে মানুষের পথচলা ও যানবাহন চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। ধানের অবশিষ্টাংশ ভেজা খড়-কুটোতে পিচ্ছিল হয়ে থাকা সড়কগুলোতে দুর্ঘটনার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। প্রায় প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় হতাহতের ঘটনা। সবচেয়ে বেশি দুূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মোটরসাইকেল, বাই-সাইকেল, মাহেন্দ্রা ও অটোরিকশার আরোহীরা। সড়কগুলো এখন যেন ধান মাড়াই ও খড় শুঁকানোর চাঁতালে পরিণত হয়েছে।
কৃষকরা ক্ষেত থেকে ধান কেটে সড়কে রেখে মাড়াই কাজ সেরে নিচ্ছেন। পটুয়াখালী-কুয়কাটা মহাসড়ক, আমতলী-বরগুনা সড়ক, বরগুনা-বাকেরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কসহ বিভিন্ন সড়কগুলোতে মাড়াই মেশিন বসিয়ে কৃষকরা ধান মাড়াই করছেন এবং খড়-কুটো সেখানেই বিছিয়ে রাখছেন শুঁকিয়ে নেয়ার জন্য। এসব  সড়কে প্রতিদিন কয়েক হাজার ছোট-বড় যান চলাচল করে। সড়কগুলোর দু’পাশে স্থানে স্থানে কৃষকদের রাখা খড়-কুটো সড়কগুলোকে পিচ্ছিল করে রেখেছে। এতে প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন গাড়ী চালকরা। দ্রুত সড়ক থেকে ধান মাড়াই কাজ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তার।
বাস চালক আবদুস সালাম ও মজিবর বেপারি জানান, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধান মাড়াই করছে। ওই ধানের খড়কুটো কৃষকরা সড়কে ফেলে রেখেছে। কুটো পঁচে পথ পিচ্ছিল হয়ে গেছে। এতে গাড়ী চালাতে সমস্যা হয়। অটোচালকরিকশা চালক ইসমাইল খান জানিয়েছেন, কৃষকরা খরকুটা এমন ভাবে রেখে যান যে বোঝাই মুসকিল রাস্তা ভালো না মন্দ। মোটর সাইকেল চালক মো. মহাসিন প্যাদা জানান, গলাচিপা থেকে উলানিয়া এবং গলাচিপা-বদনাতলী সড়কে মাড়াই থাকার করণে মোটর সাইকেল চালাতে কষ্ট হয়। 
কৃষক রিপন মিয়া জানান, বাড়িতে ধান মাড়াইয়ের মাঠ না থাকায় সড়কে ধান মাড়াই করছি। এতে সড়কের ক্ষতি হয় আমার জানা নেই। আরেক কৃষক শাহজাহান বলেন, বৃষ্টির কারণে এখন সবখানে কাঁদা পানি। তাই বাধ্য হয়ে সড়কে ধান রেখে মাড়াই করছি।
বরগুনা বাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক অহিদুজ্জামান সজল মৃধা জানান, সড়ক দখল করে ধান মাড়াই করলে যেমন সড়কের ক্ষতি হয় তেমনি গাড়ী দুর্ঘটনার আশংঙ্কা থাকে। তিনি আরো বলেন, অনতিবিলম্বে সড়কে ধান রাখা ও মাড়াই বন্ধের জন্য প্রশাসনের সৃদুষ্টি কামনা করছি।
জেলা কৃষি বিভাগের সিনিয়র কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিম বলেন, সড়কে ধান মাড়াই করা অন্যায় হলেও মাড়াইয়ের স্থান না  থাকায় কৃষকরা সড়কে ধান মাড়াই করছে। 
এ বিষয়ে আমতলী ও তালতলী উপজেলার নির্বাহী অফিসারের দায়িত্বে থাকা কায়সার হোসেন বলেন, মানুষ ও যানবাহন চলাচলে সড়কে বাঁধা সৃষ্টি করা যাবে না। সড়ক ও জনপথ বিভাগ অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...