×
ব্রেকিং নিউজ :
রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মজুদ নিশ্চিত করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ বাঁচাতে নৌকায় ভোট দিন : প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ জনের মৃত্যু; ৪১০ জন হাসপাতালে ভর্তি বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে: ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রী ৬ ডিসেম্বর জাপানী অর্থনৈতিক অঞ্চল উদ্বোধন করবেন পাকিস্তানিরা যেভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল বিএনপি ও অগ্নি সন্ত্রাসীরাও দশ তারিখ ঢাকার বুকে আত্মসমর্পণ করবে : তথ্যমন্ত্রী মাটির অবক্ষয় রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে সকলকে আন্তরিক হতে হবে : রাষ্ট্রপতি বাস্তবায়ন ও প্রয়োগের জায়গায় বিজ্ঞান গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: শেখ সেলিম মাদকের বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 25/09/2022 11:02 AM
  • 76 বার পঠিত

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আটকে রেখে নির্যাতন ও ফেনীর কারাগারে কক্ষ তল্লাশির অভিযোগ এনে আদালতে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে চট্টগ্রামের আদালত।
আজ রোববার দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়া হয়। এরআগে ৮ সেপ্টেম্বর কারাগারে থাকা বাবুলের পক্ষে তার আইনজীবী মামলা নেওয়ার আবেদন করেছিলেন।
আবেদনে গত বছরের ১০ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত বাবুলকে পিবিআই চট্টগ্রাম কার্যালয়ে হেফাজতে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ করা হয় এবং হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে মামলার আবেদন করা হয়। ওইদিন আদালত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আদেশের তারিখ ধার্য করে কিন্তু সেদিন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ছুটিতে থাকায় রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) আদেশের জন্য তারিখ ধার্য ছিল।
আবেদনভূক্তরা হলেন- পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা, জেলা পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, পিবিআইয়ের পরিদর্শক এনায়েত কবির, সাবেক পরিদর্শক এ কে মহিউদ্দিন ও সন্তোষ চাকমা।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, বাবুল আক্তার একজন পুলিশ সুপার ছিলেন। কোনো পরিদর্শক এসপির মতো পদের লোককে মারধর ও নির্যাতন করা অস্বাভাবিক। বাবুল আক্তার অনেক বার আদালতে এসেছেন, জামিন চেয়েছেন। কিন্তু এই ১ বছর ৪ মাসে তিনি কোথাও আদালতে নির্যাতনের কথা বলেননি।
তাই আদালত মনে করেছে; মিতু হত্যা মামলার আসামি হিসেবে মামলাকে বাঁধাগ্রস্থ করার জন্য তিনি নতুনভাবে এই আবেদন দিয়েছেন। তাই আদালত তার করা মামলা খারিজ করে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, ‘নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩-এর ১৫ (১) ধারা এবং সংশ্লিষ্ট আইনের ৫ (২) ধারায় যে মামলার আবেদন করা হয়েছিল তা আদালত খারিজ করে দিয়েছে। আমরা এই বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাবো।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...