,

শিরোনাম :
«» নারী নির্যাতনের অভিযোগে মার্কিন আইনজীবী গ্রেফতার «» মুকেশ-নীতা অম্বানীর মেয়ে,ঈশা অম্বানীর বিয়ের প্রতিটি কার্ডে দাম তিন লক্ষ টাকা (ভিডিও) «» আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি «» ঐক্যফ্রন্টের ভোট তিন সপ্তাহ পেছানোর দাবি, আওয়ামী লীগের ‘না’ «» ‘ষড়যন্ত্র চলছে সবাই সতর্ক থাকুন, বিদ্রোহী হলে আজীবন বহিষ্কার’ «» ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের তিন বছরের কারাদণ্ড «» বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর বিনা উসকানিতে পরিকল্পিত হামলা করেছে পুলিশ : রিজভী «» সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর হামলা করেছে : ওবায়দুল কাদের «» নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন «» সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সিইসির নির্দেশ

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবারের ন্যায় এবারও দেশব্যাপী ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০১৮’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
মানুষ মানুষের জন্য। তাই মানুষের প্রয়োজনে মানুষ সব সময় এগিয়ে আসবে এটিই স্বাভাবিক। জরুরি অস্ত্রোপচার, দুর্ঘটনা, অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে মানবদেহে রক্তের অভাব পূরণে আমাদের দেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রক্তের প্রয়োজন হয়। মানবদেহে রক্ত কয়েকমাস পর পর এমনিতেই নষ্ট হয়ে যায়, আবার নতুন রক্ত তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে একজন সুস্থ মানুষ নিয়মিত রক্তদান করলে তাতে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না বরং তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। পাশাপাশি প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ কর্ণিয়াজনিত সমস্যার কারণে অন্ধত্ব বরণ করছে। কর্ণিয়াজনিত অন্ধত্বের ক্ষেত্রে মানবকর্ণিয়া প্রতিস্থাপন একমাত্র চিকিৎসা। তাই কর্ণিয়াজনিত অন্ধত্ব দূরীকরণে মরণোত্তর চক্ষুদানে সকলকে উৎসাহিত করতে হবে। মানব কল্যাণে সকলেই রক্ত ও মরণোত্তর চক্ষুদানে এগিয়ে আসবে, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবসে এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বেচ্ছায় রক্তদান ইতিমধ্যে একটি জনপ্রিয় সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এক্ষেত্রে সন্ধানীর মতো স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে। এছাড়া জনগণকে মরণোত্তর চক্ষুদানে উদ্বুদ্ধকরণ, মানবচক্ষু সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও সংযোজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
আমি ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

 

 

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছরের মতো এবারও ২ নভেম্বর ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০১৮’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিরাপদ রক্তের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ১৯৭২ সালে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের অন্ধত্ব সমস্যা সমাধানের জন্য জাতির পিতা ১৯৭৫ সালে ‘অন্ধত্বমোচন অর্ডিন্যান্স’ জারি করেন। বর্তমান সরকার অন্ধত্ব প্রতিরোধে এবং চক্ষুরোগ চিকিৎসার উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আমরা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি। গোপালগঞ্জে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল নির্মাণ করেছি। ছানি অপারেশসহ অন্যান্য চক্ষু অপারেশনের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীকে অন্ধত্বের হাত থেকে রক্ষা করে তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
আমরা ‘মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ২০১৮’ প্রণয়ন করেছি। এর ফলে স্বেচ্ছায় অঙ্গদান ও মৃত্যুর পর চক্ষুদানে আর কোনো জটিলতা থাকবে না। মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আইনানুগ কোনো উত্তরাধিকারের লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে অঙ্গ নেওয়া যাবে। তাই মৃত্যুর পর সে পরিবারের কোনো উত্তরাধিকার চোখ সংগ্রহের অনুমতি দিতে এগিয়ে আসলে বাংলাদেশে কর্ণিয়া দান ও কর্ণিয়া সংযোজনে বিপ্লব ঘটবে।
সন্ধানী স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে রক্তদানকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করেছে। আমি আশা করি, সন্ধানী চক্ষু দানকেও জনপ্রিয় করে তুলে বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা করবে।
আমি সন্ধানীর পাশাপাশি সকল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণকে এ মানবিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই।
আমি ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

Share
Desing & Developed BY Themesbazar.com