,

শিরোনাম :
«» যৌনতার বিনিময়ে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ «» একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের আবেদন ফরম বিতরণ কাল শেষ হচ্ছে «» নির্বাচন বিষয়ে টিআইবির মন্তব্য অসৌজন্যমূলক : সিইসি «» ঢাকা উত্তর সিটির উপ-নির্বাচন হতে আইনগত বাধা নেই «» মুসলিম উম্মাহ’র ঐক্যে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর «» রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালী রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ «» স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি রোধে শুদ্ধি অভিযান চালানো হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» নাইরোবিতে আত্মঘাতি হামলায় নিহত ৬ «» আইসিটি রপ্তানী ৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সরকার কাজ শুরু করেছে : মোস্তাফা জব্বার «» জনগণ টিআইবি’র রূপকথার গল্পের জবাব দেবে : ওবায়দুল কাদের

চিনি পরিশোধনে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে ভারত

নিজস্ব প্রতিনিধি:-রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোর আধুনিকায়ন এবং ‘র’ সুগার থেকে পরিশোধিত চিনি উৎপাদনে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত। এ লক্ষ্যে খুব শীঘ্রই ভারতের পক্ষ থেকে একটি সমন্বিত প্রস্তাব শিল্প মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। এ প্রস্তাবের ভিত্তিতে সহায়তার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে তা বাস্তবায়নের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হবে।
ভারতের খাদ্যসচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারসহ এক প্রতিনিধিদল
আজ শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সাথে বৈঠককালে এ আগ্রহের কথা জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ভারতের খাদ্যসচিব রবিকান্ত, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম দেলোয়ার হোসেনসহ ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দু’দেশের শিল্পখাতে সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় বাংলাদেশের চিনি শিল্পের আধুনিকায়ন, ‘র’ সুগার থেকে রিফাইন্ড সুগার উৎপাদন, আখচাষিদের প্রশিক্ষণ, উচ্চ রিকভারিসম্পন্ন আখজাত হস্তান্তর এবং চিনি শিল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর আলোচনা হয়।
শিল্পমন্ত্রী ভারতকে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারত সরকার ও জনগণের ঐতিহাসিক অবদান রয়েছে। তিনি স্বাধীনতাপরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুকে স্বদেশে ফিরিয়ে আনতে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর ক‚টনৈতিক সহায়তার কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, ভারতের জাতীয় মাননির্ধারণী সংস্থা এনএবিএল ইতিমধ্যে ২১টি পণ্যের অনুকূলে বিএসটিআই এর পরীক্ষণসনদ গ্রহণ করেছে। ১২টি পণ্যের পরীক্ষণসনদ গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি দ্রæত এসব পণ্যের পরীক্ষণসনদ গ্রহণ করতে ভারতীয় খাদ্য সচিব এবং হাইকমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলের আধুনিকায়ন, উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ‘র’ সুগার পরিশোধনের সুযোগ তৈরি করতে ভারতের সহায়তা প্রদানের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।

Share
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : সিএনআই২৪ ডটকম লিমিটেড || Desing & Developed BY Themesbazar.com