,

শিরোনাম :
«» উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চাই : মো. শাহাব উদ্দিন «» দলীয় কর্মীদের প্রতি তথ্যমন্ত্রী,বিজয়ে বিনয়ী হোন যাতে মানুষ ভালোবাসে «» আলোকচিত্র কথার চেয়ে শক্তিশালী : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী «» মৎস্য অভয়াশ্রমকে লিজ না দেওয়ার নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর «» কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সংঘটিত শ্রমিক সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ গৃহীত «» জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জোটে নীতি ও আদর্শের ঘাটতি আছে : ওবায়দুল কাদের «» আওয়ামী লীগের বিজয় এশিয়া ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য ইতিবাচক ফল আনতে সহায়ক হবে : বিশেষজ্ঞগণ «» এরশাদের অবর্তমানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব জিএম কাদেরের «» বিজয় সমাবেশ ঘিরে ডিএমপি’র ট্রাফিক নির্দেশনা «» আগামীকাল আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ

স্লিম হওয়ার অভিনব উপায়

স্বাস্হ্য ডেস্ক:- শুধুই কি লো ক্যালরি ডায়েট? রোগা হওয়ার কি আর কোনো পন্থা নেই? আছে বইকি। এমন কিছু সহজ উপায়ও আছে, যা রোজকার জীবনে শামিল করতে পারলে দেখবেন, ওজন কমানো বা খাওয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা কোনো কিছুতেই আর বেগ পেতে হবে না।

পানি খাওয়া :

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত। কারণ, এতে আমাদের সিস্টেম থেকে টক্সিন ফ্লাশ আউট হয়ে শরীর সুস্থ থাকে- এ কথা আর নতুন কী! কিন্তু এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে বেশি করে পানি খাওয়ার নতুন এক কারণ। তা হলো পানি যত খাবেন, খিদের ভাবটা ততটাই কমবে আর আপনি ও পরিমাণে কম খাবেন। ফলে ওজন কম বাড়বে। দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। খাওয়ার আগে পানি খেয়ে খেতে বসেন।

রাতের খাবার :

রাতের খাবার বেশি ভারী হলে ঘুমের মধ্যে শরীর ক্যালরি পোড়াতে পারে না। শরীরে নানা অঙ্গে চর্বি জমে। চেষ্টা করো ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে খাবার সারতে এবং হালকা খাবার খেতে হবে।

ব্রেকফাস্ট:

সকালে খাবার স্কিপ করার অভ্যাস আছে? সাবধান! শত ব্যস্ততা থাকলেও এই জায়গাটিতে কম্প্রোমাইজ করবেন না । এতে আপনার সময় বাঁচবে হয়তো কিন্তু স্বাস্থ্য ও ওজন কোনোটাই ঠিক থাকবে না। সারারাত বিশ্রামে থাকার পর আমাদের মেটাবলিজমকে নতুন করে শুরু করতে হয়। তারও ফুয়েল চাই। একটি স্বাস্থ্যকর এবং অল্পভারী ব্রেকফাস্ট হলো সেই ইন্ধন।

গ্রিল করুন:

কোনো কিছু ভেজে খাওয়ার চেয়ে গ্রিল করে খাওয়া অনেক ভালো। কারণ খেতে সুস্বাদু হয়। তার চেয়ে বড় কারণ হলো ভাজা খাবার তেল টানে আর গ্রিলড করা খাবার অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে দেয়।

 

ভাজা খাবার তেল থেকে তোলামাত্রই টিস্যু বা অ্যাবসর্বেন্ট কিচেন পেপারে রেখে কিংবা মুড়িয়ে নিন এতে বাড়তি তেল টিস্যু শুষে নেবে।

ফল:

শেষ পাতে মিষ্টি না খেলে খাওয়া অসম্পূর্ণ থেকে যায় আপনার? ফল খেতে মিষ্টি, স্বাস্থ্যকরও বটে। রোজ রোজ মিষ্টি খেয়ে অযথা ওজন বাড়াবেন কেন? মাঝেসাঝে খেলে ফ্রি মিষ্টিটাকে উপভোগও করবেন বেশি।

টাইমার:

খাওয়ার সময় ২০-২৫ মিনিটের টাইমার সেট করে রাখেন। আস্তে আস্তে খাবারটা এনজয় করুন। সময় শেষ হলেই খাবার বন্ধ করেন। দেখবেন, তৃপ্তিতে মন ও পেট দুটোই ভরবে অথচ পরিমাণে বেশি খাওয়া হবে না।

তরকারি:

লাঞ্চ এবং ডিনার সবজি (তরকারি) ও শেষ পাতে ফলের সংখ্যা বাড়িয়ে দেন। এতে দুটো কাজ হয়। প্রথমত, ভাত বা রুটি কম খাওয়ার ফলে শরীরে কার্বোহাইড্রেট কম যায়। দ্বিতীয়ত, সবজি ও ফলে ফাইবার এবং জলের মাত্রা বেশি থাকায় শরীরের ওজন তেমন বাড়ে না।

হোল গ্রেন:

খাদ্যতালিকায় হোল গ্রেন রাখেন। ঢেঁকিছাঁটা চাল, ওট, বার্লি, হোল হুইট, দালিয়া ইত্যাদি খেতে পারেন। এতে ক্যালরি কম এবং আপনার কোলেস্টেরল প্রোফাইল ভালো থাকে।

চুইংগাম:

অনেক সময়ই খিদে না থাকলেও কিছু খেতে ইচ্ছে করে। এই সময়টাই মারাত্মক। যখন তখন হালকা স্ন্যাক্স খাবার অভ্যাস ওজন বাড়িয়ে তুলতে পারে। এই সময় কিছু না খেয়ে খুব স্ট্রং ফ্লেভারের কোনো চুইংগাম চিবান। খাওয়ার ইচ্ছে মিটবে, ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দাঁত আর মাড়ির এক্সারসাইজ বাড়তি পাওনা।

ক্যালরি পোড়ান:

টার্গেট রাখেন দিনে অন্তত ১০০ ক্যালরি পোড়ানো। তা যে কোনোভাবেই হোক। ২০ মিনিটে ১ মাইল হেঁটে হোক, ১০ মিনিট জগিং করে কিংবা আধঘণ্টা ঘরবাড়ি ধোয়ামোছা করে।

বারবার খান:

খিদে বাড়িয়ে একেবারে পেট পুরে খাওয়ার প্রবণতা ছাড়েন। এতে প্রচুর ক্যালরি বাড়বে। বরং সারা দিন অল্প পরিমাণে খান। তাতে চাগিয়ে খিদে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না আর আপনি ও বেশি খেয়ে ফেলবেন না।

ফ্লেভার:

খাবারে মরিচ ও নানা রকমের ফ্লেভার ব্যবহার করেন। এর ঘ্রাণ আমাদের টেস্ট বাড খুব শিগগিরই তৃপ্ত হয়ে যায়। তাই বেশি খেয়ে ফেলার আগেই পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতি হয়।
চা, কফি, শরবত ইত্যাদিতে চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করেন। মধু খেতে সুস্বাদু এবং খাদ্যগুণে ভরপুর। উপরন্তু চিনির থেকে মধুতে ক্যালরি কম।

Share
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : সিএনআই২৪ ডটকম লিমিটেড || Desing & Developed BY Themesbazar.com