×
ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২০-১২-২৪
  • ১০৬০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে করোনায় আরো ২ জনের মৃত্যু এবং নতুন ১৪১ জনের দেহে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ হার ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়, নগরীর ৮টি ও কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১ হাজার ৩৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে নতুন ১৪১ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। এদের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ১২১ জন ও পাঁচ উপজেলার ২০ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে হাটহাজারীতে ১৩ জন, পটিয়া, ফটিকছড়ি ও সন্দ্বীপে ২ জন করে এবং রাঙ্গুনিয়ায় ১ জন রয়েছেন। জেলায় করোনাভাইরাসে মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ২৯ হাজার ৩৮২ জন। এদের মধ্যে শহরের ২২ হাজার ৬৪৪ ও গ্রামের ৬ হাজার ৭৩৮ জন।
গতকাল করোনাক্রান্ত ২ জনের মৃত্যু হয়। ফলে এখানে মোট মৃতের সংখ্যা ৩৫১ জন। সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন নতুন ১৩২ জন। এতে মোট আরোগ্যলাভকারীর সংখ্যা ২৮ হাজার ৩২০ জনে উন্নীত হয়েছে। এদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩ হাজার ৭৯৩ জন, ঘরে থেকে ২৪ হাজার ৫২৭ জন। হোম কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে নতুন যুক্ত হয়েছেন ৩২ জন, ছাড়পত্র নেন ৪২ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১ হাজার ৩০৫ জন।
উল্লেখ্য, গতকাল ২ জনসহ টানা ১৫ দিনে করোনাক্রান্ত ২৪ রোগীর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ জন মারা যান গত ২১ ডিসেম্বর। এছাড়া, গত ১০, ১১, ১৩, ১৬, ১৮ ও ২২ ডিসেম্বর ২ জন করে এবং বাকী দিনগুলোতে একজন করে মৃত্যুবরণ করেন। সংখ্যার বিচারে এ সময়ে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ধরা পড়ে ১৪ ডিসেম্বর ২৮৫ জন এবং সর্বনি¤œ ১৭ ডিসেম্বর ৭৯ জন। সংক্রমণ হারে সর্বোচ্চ ছিল ১৪ ডিসেম্বর ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং সর্বনি¤œ ১৩ ডিসেম্বর ৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
বুধবারের ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৮০৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২ জন করোনা বাহক পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১৭৬ জনের নমুনার মধ্যে ১৭ জন করোনাক্রান্ত শনাক্ত হন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১০৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৩৪ জন করোনা আক্রান্ত বলে চিহ্নিত হন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৬০ টি নমুনার ২৩ টিতে ভাইরাস পাওয়া যায়। নগরীর একমাত্র বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ ১৬ টি নমুনার ৯ টির রেজাল্ট পজিটিভ আসে।
নগরীর তিন বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৬৪ টি নমুনায় ১৫টি, শেভরনে ৬০ টির মধ্যে ২৩টি এবং মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ টিতে ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এদিন চট্টগ্রামের ৫৭ জনের নমুনা কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় সবগুলোরই ফলাফল নেগেটিভ আসে।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে বিআইটিআইডি’তে ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ, চমেকে ৯ দশমিক ৬৬, চবিতে ৩১ দশমিক ৭৭ শতাংশ, সিভাসু’তে ৩৮ দশমিক ৩৩, আরটিআরএলে ৫৬ দশমিক ২৫, ইম্পেরিয়ালে ২৩ দশমিক ৪৩, শেভরনে ৩৮ দশমিক ৩৩ এবং মা ও শিশু হাসপাতালে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat