×
ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২২-০২-১৬
  • ১০৯৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদায় পাটের বীজ উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছেন চাষিরা। কম খরচ ও অল্প শ্রমে এ বীজ উৎপাদন করতে পারায় লাভবান হচ্ছেন তারা। জানা গেছে, চলতি বছর পাট বীজ উৎপাদন করে সাড়া ফেলেছে উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের কৃষক রচনা আলী। তিনি পৌনে চার বিঘা জমিতে পাটের বীজ উৎপাদন করেছেন।
উপজেলা পাট অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় ১০৫ একর জমিতে ৫০ জন কৃষক বীজ উৎপাদনের জন্য চাষ করেছেন। চাষিদের উৎপাদিত এ বীজ উপজেলা পাট অধিদপ্তর আট হাজার টাকা মণ দরে ক্রয় করছেন। এরই মধ্যে অনেক চাষি তাদের উৎপাদিত বীজ বিক্রি করেছেন। পাট বীজ চাষি লক্ষ্মীপুর গ্রামের রচনা আলী জানান, পাটের বীজ উৎপাদন করতে তেমন কোনো শ্রম ও খরচ করতে হয় না। পৌনে ৪ বিঘা জমিতে তার ১৪ মণের ওপরে বীজ উৎপাদন হয়েছে। তার এই জমি চাষের জন্য উপজেলা পাট অধিদপ্তর থেকে বীজ, সার, বালাই নাশক ও স্প্রে-মেশিন বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ও তার সেচ, সার বালাইনাশক দিয়ে খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। বীজ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজা ৬০০ টাকা। সকল খরচ বাদ দিয়ে তার লাভ হয়েছে ৭৩ হাজার ৬০০টাকা। একই গ্রামের ছাকবার আলী ও হেমায়েতপুর গ্রামের চাষি শওকত আলী জানান, তিন বিঘা করে এই চাষ করেছেন। তাদের গাছ খুব ভালো ছিলো কিন্তু ফুল আসার পর বৃষ্টি হওয়ায় তাদের ফলন অনেকাংশে কমে গেছে। ছাকবার আলীর তিন বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকার মত। বীজ উৎপাদন হয়েছে ৬ মণ ৩৫ কেজি। বিক্রি হয়েছে ৫৫ হাজার টাকায়। খরচ বাদে তার লাভ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। একই ভাবে শওকত আলীর বীজ হয়েছে ৬ মণ ৩ কেজি। বিক্রি হয়েছে ৫৪ হাজার ৬০০ টাকায়। খরচ বাদে লাভ হয়েছে প্রায় ২২ হাজার টাকা।
উপজেলা পাট অধিদফতরের উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম জানান, সেপ্টেম্বর-আক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময় বীজ উৎপাদনের জন্য বপনের উপযুক্ত সময়। তিন মাসের এ ফসল যারা সঠিক সময়ে বপন করেছে তাদের ফলন ভালো হয়েছে। দেরিতে বপন করা চাষিরা বৃষ্টির কারণে অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আবহাওয়াজনিত কারণে ফুল শুরু হলে বৃষ্টি হওয়ায় তাদের ফলন কম হয়েছে। তবুও কম বেশি লাভ হয়েছে। বীজ বিক্রয়ের কোনো ঝামেলা নেই। আমরা সরকারিভাবে ২০০ টাকা কেজি দরে ক্রয় করছি। উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, উপজেলায় পাট বীজ উৎপান বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা নিয়মিত এ সকল চাষিদের ক্ষেত পরিদর্শন করছি। চাষিদেরকে সবধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat