×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন :ইরানের দুই সংবাদমাধ্যম ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শনিবার সারাদিন যা যা হলো খামেনির মৃতদেহ পাওয়া গেছে : রয়টার্সকে ইসরায়েলি কর্মকর্তা খামেনি ‘বেঁচে নেই’ এমন লক্ষণ পাওয়া গেছে, দাবি নেতানিয়াহুর ইরানে হামলায় নিহত ২০১, আহত ৭৪৭: রেড ক্রিসেন্ট কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় এক বাংলাদেশিসহ আহত কয়েকজন প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানাতে হবে: বাংলাদেশ ইরানের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা হামলায় নিহত, দাবি ইসরায়েলের ইরানের ৩২ প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টিতে হামলা: রেড ক্রিসেন্ট সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে দোয়া চাইলেন ডাঃ মোছাঃ শাহানা খাতুন (শানু)
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০১-১৯
  • ৬৫৪৫৭৭৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করা নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ উপায় হতে পারে। আজ (সোমবার) রাজশাহীতে এক সংলাপে বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

তারা আরও বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা, যা বিভিন্ন পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণে সংঘটিত হয়।

পবা উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রাম আয়োজিত অ্যাডভোকেসি ডায়ালগে সরকারি কর্মকর্তা ও উন্নয়নকর্মীরা নিজেদের মত প্রকাশ করেন।

আলোচনায় বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ, এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাছুমা মুস্তারি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খান, উপজেলা নারী উন্নয়ন কর্মকর্তা ফাতেমা খাতুন এবং উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী নাজমুল ইসলামসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ক কনসেপ্ট পেপার উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক অপূর্ব সাহা। সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী মহসিন আলী।

বক্তারা বলেন, আইন থাকা সত্ত্বেও সচেতনতার অভাব, সামাজিক নীরবতা এবং ভুক্তভোগীদের ভয় ও লজ্জার কারণে অনেক ঘটনার রিপোর্ট হয় না। এই চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে স্থানীয় প্রশাসন, নির্বাচিত প্রতিনিধি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বেসরকারি সংগঠনের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।

মাছুমা মুস্তারি বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনেক ভুক্তভোগী সামাজিক চাপ ও ভয়ের কারণে অভিযোগ করার সাহস পান না। এ ক্ষেত্রে পরিবার ও প্রতিবেশীদের সহায়তা অপরিহার্য।

আরাফাত আমান আজিজ বলেন, বাল্যবিবাহ নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার অন্যতম প্রধান কারণ। এ বিষয়ে অভিভাবকদের অবশ্যই তাদের সন্তানদের সঠিক তথ্য ও মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, অভিভাবকদের নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও মোকাবিলা সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং সামাজিক ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য অভিভাবক সভা ও উঠান বৈঠক কার্যকরভাবে আয়োজন করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat