Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গবন্ধুর গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশের বর্তমান উন্নয়ন : স্পিকার আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক সম্ভাবনা : অর্থমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে যেন কেউ না খেলে সেজন্য অতন্ত্র প্রহরী হবে আওয়ামী লীগ : প্রধানমন্ত্রী ভারতে নতুন করে ৫০,৮৪৮ জন করোনায় আক্রান্ত, ছাড়ালো ৩ কোটির মাইলফলক সৌদি সাংবাদিক খাসোগির হত্যাকান্ডে জড়িতরা প্রশিক্ষণ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে হাইকোর্টে দুদকের বরখাস্তকৃত পরিচালকের জামিন শুনানি আগামীকাল সারাদেশে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যেদিয়ে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ল্যাপটপ ও কম্পিউটার সামগ্রী ক্রয় ও সরবরাহে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের সুপারিশ দেশে গত ২৪ ঘন্টায় কোভিড-১৯ এ মৃত্যুবরণ করেছেন ৮৫ জন, নতুন শনাক্ত ৫,৭২৭ জন রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সহায়তা করুন : মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 07/06/2021 10:33 PM
  • 46 বার পঠিত
ফাইল ছবি।

গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই বিএনপি নির্বাচন বয়কটের মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ সোমবার ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ব্যাপারে বিএনপির আস্থার অভাব রয়েছে। তারা যে নির্বাচন বয়কট করেছে অথচ ’৭০ সালে বঙ্গবন্ধু লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্কের আন্ডারে কিন্তু নির্বাচন করেছেন। একটা শর্ত ছিল, বাঁধন ছিল। অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েছিল এই নির্বাচন করে কী হবে? কিন্তু বঙ্গবন্ধু জানতেন নির্বাচনে একমাত্রই পথ স্বাধীনতা।
৭ মার্চ, ৭ জুনের মতো ঐতিহাসিক দিবসগুলো পালন না করায় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন করার পরেই বঙ্গবন্ধু যে ম্যান্ডেড পেয়েছিল, সেটাই তাকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষক হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কাজেই এই কথাাটি সত্য, আজকে যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না তারাই নির্বাচন বয়কট করেছে।
ঐতিহাসিক ৬ দফার মতো দিবসগুলার পালন না করায় বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকে অস্বীকার করে তাদের আস্থার অভাব রয়েছে। স্বাধীনতার চেতনায় যদি তারা বিশ্বাসী হতো, তাহলে ৭ মার্চ, ৭ জুন-এই দিবসগুলোর প্রতি তাদের শ্রদ্ধা থাকতো এবং পালন করতো।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের মহান স্বাধীনতার পথে, স্বাধিকার সংগ্রামের বাক পরিবর্তনকারী ঐতিহাসিক মাইলফলক ৭ জুন। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারির তৎকালীন বাংলার কেন্দ্রাতীত শক্তি, আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে এই ৬ দফা প্রস্তাব ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশে এসে ৬ দফা দাবির পক্ষে তিনি প্রচার শুরু করেন। বাংলাদেশের ম্যাগনাকার্টা বলে পরিচিত ৬ দফা হচ্ছে বাঙালির মুক্তির সনদ।’
তিনি বলেন, ৬ দফা সংগ্রামের মধ্য দিয়েই বাংলার স্বাধিকার সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপান্তরিত হয়। এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৫ দফা ভিত্তি, ১১ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে বিস্ফোরিত বাংলাদেশ, তারপর বঙ্গবন্ধুর মুক্তি, ’৭০ এর নির্বাচন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন; এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। কাজেই ৭ জুন আমাদের স্বাধিকার সংগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটাকে বাক পরিবর্তনকারী মাইলফলক বলে আমরা চিহ্নিত করতে পারি।
এর আগে ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দলের পক্ষ্য থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ওবায়দুল কাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...