×
ব্রেকিং নিউজ :
জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ অলিম্পিকের স্বপ্ন পূরণে শূন্য থেকে যাত্রা শুরু করেছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আধুনিক সেনাবাহিনী গড়তে মেধা ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ব্যাংক ও মুদ্রানীতি নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল শেরপুরে পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত ‘রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ফৌজদারির মামলা করা যায় না’ ২৭ জুলাই হতে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৬-১২
  • ৯৪৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসী আমাকে মেয়র নির্বাচিত করার পর আমি উপলব্ধি করি, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ধাপে নির্বাচনী অঙ্গিকার ও কর্ম-পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চসিকের সক্ষমতা ও সামর্থ্য কতটুকু বিদ্যমান তা যাচাই করে নেয়া। তিনি আজ শনিবার বিকেলে চসিক আন্দরকিল্লাস্থ পুরাতন নগর ভবনের কেবি আব্দুস সাত্তার মিলনায়তনে চসিক বৈদ্যুতিক কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
মেয়র বলেন, তাই চসিকের যেটুকু সামর্থ্য, সামগ্রী ও জনবল আছে তা নিয়ে ১০০ দিনের মধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম শুরু করেছিলাম, যা পরবর্তীতে আরো ৯০ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনায় সাফল্য যেমন এসেছে, তেমনি কিছু প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা অর্জন ও সক্ষমতার ঘাটতি নিরূপণ সম্ভব হয়েছে। যার মাধ্যমে চসিকের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
পরিষদের পৃষ্ঠপোষক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল বারী চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দীন, বিদ্যুৎ স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. মোরশেদ আলম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সিবিএ’র সভাপতি ফরিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।
মেয়র আরো বলেন, চসিকের বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নগরীকে আলোকিত করে রেখেছে, তাদের এই কৃতিত্বের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে তাদের অনেক ঝুঁকি নিতে হয়। সে ঝুঁকি নিতে গিয়ে বিগত কয়েক বছরে ১১ জন শ্রমিককে প্রাণ দিতে হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে কোনো শ্রমিককে যেন কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুর মুখে পতিত হতে না হয় সেজন্য যে সকল সরঞ্জাম প্রয়োজন সেগুলো পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি চসিক শ্রমিক-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অতিরিক্ত কাজের ভাতাসহ অন্যান্য যে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে, তা চসিকের সামর্থ্যরে নিরিখে বিবেচনায় নিবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি চসিকের অনেক সীমাবদ্ধতাকে মেনে নিয়ে একটি পরিবার হিসেবে কাজ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat