×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৮-০৫
  • ৮০৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন আজ বলেছেন, সরকার চীনের সিনোফার্মের কোভিড ভ্যাকসিনের ৭৫ মিলিয়ন ডোজ কেনার আদেশ দিয়েছে, ইতোমধ্যে এর থেকে ১৫ মিলিয়ন ডোজের অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা পদ্মায় তিনি আজ সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা সিনোফার্মের ৭৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন ক্রয়ের আদেশ দিয়েছি, এরমধ্যে ১৫ মিলিয়ন ডোজের জন্য অর্থ পাঠিয়েছি।” পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এছাড়াও ভ্যাকসিন কেনার পাশাপাশি কোভ্যাক্স প্রোগ্রামের আওতায় ঢাকা আগামী সপ্তাহে ৩৪ মিলিয়ন ডোজ সিনোফার্মের ভ্যাকসিন এবং এ মাসের শেষের দিকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের আরো ১০ লাখ ডোজ পাবে।
তিনি বলেন, এছাড়াও কোভ্যাক্স’র অধীনে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ ফাইজারের আরো ৬ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা রয়েছে। সরাসরি ভ্যাকসিন জোট গ্যাভির মাধ্যমে বিশ্বে ভ্যাকসিনে সুষম বন্টনের লক্ষ্যে কোভ্যাক্স (বৈশ্বিক জোট) ভ্যাকসিন বিতরণ করে আসছে।
“আমরা ভ্যাকসিনের ব্যাপারে একটি ভালো অবস্থানে রয়েছি, আমরা আমাদের জনসংখ্যার অন্তত অর্ধেককে টিকা দিতে চাই” এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে বিভিন্ন ধরণের কোভিড ভ্যাকসিনের ১২.৩ মিলিয়ন ডোজ রয়েছে। দেশের বেশীরভাগ লোককে টিকা দেয়ার লক্ষ্য পূরণের জন্য ভ্যাকসিনের সহউৎপাদন অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে মোমেন বলেন, চীনের সাথে সহ উদ্যোগে ভ্যাকসিন উৎপাদনে যে কোন সময় অস্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।
তিনি বলেন, চীন গত ১৬ জুলাই এখানে বাংলাদেশী স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যালের সাথে সিনোফার্মেও ভ্যাকসিন সহউৎপাদনের জন্য সমজোতা স্মারকের (এমওইউ) খসড়া পাঠিয়েছে। মোমেন বলেন, “আমরা এটিকে (এমওইউ) সঠিক উপায়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কাছে প্রেরণ করেছি।” আইন মন্ত্রনালয়ও খসড়া চুক্তিটি পরীক্ষা করেছে উল্লেখ করে মোমেন বলেন,“সবকিছু  (এমওইউ) ঠিক আছে, যে কোন সময় তারা চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে।”
এরআগে ড. মোমেন নিশ্চিত করেন যে, চীনা সিনোফার্ম বাংলাদেশী ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ইনসেপটার সাথে সহউৎপাদনে যাবে। বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপটা এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চূড়ান্ত এমওইউ প্রস্তুত করতে বিলম্ব করা উচিত নয়, কারণ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর এখানে সহউৎপাদন শুরু করতে দুইমাস সময় লাগবে।
এখানে রাশিয়ান ভ্যাকসিনের সহউৎপাদন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ওয়েবে আক্রান্ত হওয়ায় বর্তমানে মস্কো প্রশাসন ধীরে ধীরে কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat