×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৯-১৩
  • ১২৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বরগুনা উপকূলীয় এলাকার মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং সকল পাকা সড়কেই পুরোদমে আউশ ধান মাড়াই ও খড়-কুটো শুঁকাচ্ছেন স্থানীয়রা। এতে মানুষের পথচলা ও যানবাহন চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। ধানের অবশিষ্টাংশ ভেজা খড়-কুটোতে পিচ্ছিল হয়ে থাকা সড়কগুলোতে দুর্ঘটনার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। প্রায় প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় হতাহতের ঘটনা। সবচেয়ে বেশি দুূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মোটরসাইকেল, বাই-সাইকেল, মাহেন্দ্রা ও অটোরিকশার আরোহীরা। সড়কগুলো এখন যেন ধান মাড়াই ও খড় শুঁকানোর চাঁতালে পরিণত হয়েছে।
কৃষকরা ক্ষেত থেকে ধান কেটে সড়কে রেখে মাড়াই কাজ সেরে নিচ্ছেন। পটুয়াখালী-কুয়কাটা মহাসড়ক, আমতলী-বরগুনা সড়ক, বরগুনা-বাকেরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কসহ বিভিন্ন সড়কগুলোতে মাড়াই মেশিন বসিয়ে কৃষকরা ধান মাড়াই করছেন এবং খড়-কুটো সেখানেই বিছিয়ে রাখছেন শুঁকিয়ে নেয়ার জন্য। এসব  সড়কে প্রতিদিন কয়েক হাজার ছোট-বড় যান চলাচল করে। সড়কগুলোর দু’পাশে স্থানে স্থানে কৃষকদের রাখা খড়-কুটো সড়কগুলোকে পিচ্ছিল করে রেখেছে। এতে প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন গাড়ী চালকরা। দ্রুত সড়ক থেকে ধান মাড়াই কাজ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তার।
বাস চালক আবদুস সালাম ও মজিবর বেপারি জানান, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধান মাড়াই করছে। ওই ধানের খড়কুটো কৃষকরা সড়কে ফেলে রেখেছে। কুটো পঁচে পথ পিচ্ছিল হয়ে গেছে। এতে গাড়ী চালাতে সমস্যা হয়। অটোচালকরিকশা চালক ইসমাইল খান জানিয়েছেন, কৃষকরা খরকুটা এমন ভাবে রেখে যান যে বোঝাই মুসকিল রাস্তা ভালো না মন্দ। মোটর সাইকেল চালক মো. মহাসিন প্যাদা জানান, গলাচিপা থেকে উলানিয়া এবং গলাচিপা-বদনাতলী সড়কে মাড়াই থাকার করণে মোটর সাইকেল চালাতে কষ্ট হয়। 
কৃষক রিপন মিয়া জানান, বাড়িতে ধান মাড়াইয়ের মাঠ না থাকায় সড়কে ধান মাড়াই করছি। এতে সড়কের ক্ষতি হয় আমার জানা নেই। আরেক কৃষক শাহজাহান বলেন, বৃষ্টির কারণে এখন সবখানে কাঁদা পানি। তাই বাধ্য হয়ে সড়কে ধান রেখে মাড়াই করছি।
বরগুনা বাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক অহিদুজ্জামান সজল মৃধা জানান, সড়ক দখল করে ধান মাড়াই করলে যেমন সড়কের ক্ষতি হয় তেমনি গাড়ী দুর্ঘটনার আশংঙ্কা থাকে। তিনি আরো বলেন, অনতিবিলম্বে সড়কে ধান রাখা ও মাড়াই বন্ধের জন্য প্রশাসনের সৃদুষ্টি কামনা করছি।
জেলা কৃষি বিভাগের সিনিয়র কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিম বলেন, সড়কে ধান মাড়াই করা অন্যায় হলেও মাড়াইয়ের স্থান না  থাকায় কৃষকরা সড়কে ধান মাড়াই করছে। 
এ বিষয়ে আমতলী ও তালতলী উপজেলার নির্বাহী অফিসারের দায়িত্বে থাকা কায়সার হোসেন বলেন, মানুষ ও যানবাহন চলাচলে সড়কে বাঁধা সৃষ্টি করা যাবে না। সড়ক ও জনপথ বিভাগ অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat