×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-১০-১১
  • ৬২৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মানুষকে জানাতে তুরস্কের প্যানোরোমা-১৪৫৩ এর আদলে একটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর স্থাপনে সে দেশের সহযোগিতা আশা করছে বাংলাদেশ।
তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাতকারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া এই আশা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি তিনি তুরস্ক সফরকালে এই সাক্ষাতকার দেন। 
খাজা মিয়া বলেন, সরকার বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী মানুষের কাছে তুলে ধরতে চায়। 
তিনি জানান, আমরা বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে প্যানারোমার বিষয়ে ধারণা নেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা তুরস্ক সফর করছি এবং অন্যান্য দেশ থেকে কিছু তথ্য এবং ভবনের নকশা সম্পর্কে ধারণা লাভ করছি। এ সফরে খাজা মিয়া তুরস্কের বিভিন্ন জাদুঘর পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে তিনি ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক জাদুঘর প্যানোরমা-১৪৫৩ জাদুঘর এবং আফিয়ন প্রদেশের ভিক্টোরি জাদুঘর পরিদর্শন করেন। 
খাজা মিয়া প্যানোরোমা জাদুঘরের ৩৬০ ডিগ্রি থ্রি ডি পেইন্টিংস দেখে মুগ্ধ হন, যেখানে ১৪৫৩ সালে মেহমেদ কর্তৃক অটোম্যান সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনী কর্তৃক ইস্তাম্বুল বিজয়ের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। 
সচিব  বলেন, ‘দু’দেশেরই নিজস্ব ধারণা, দর্শন এবং সংস্কৃতি রয়েছে। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের অনেক মিলও রয়েছে। 
তিনি জানান, বাংলাদেশ এবং তুরস্ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদার এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারে। প্যানোরমার আকারে জাদুঘর স্থাপনে আমরা কয়েকজন স্থপতি, প্রকৌশলী এবং নকশা নেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। আমরা সরকার এবং আমার মন্ত্রীর কাছে তুরস্কের কাছ থেকে প্রযুক্তি, স্থপতি এবং নকশা নেয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরবো।’
তিনি জানান, তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়াভুজ সেলিম কিরান এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক সম্পদ এবং জাদুঘর অধিদপ্তরের প্রধান গোখান ইয়াজগি জাদুঘর স্থাপনে ঢাকাকে আংকারা সার্বিক সহযোগিতা করবে মর্মে মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করেছেন ।
সচিব জানান, বাংলাদেশকে যদি কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা প্রযুক্তি বা আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি দিয়ে সহযোগিতা করতে চায়, তাহলে তিনি এই প্রকল্পের বিষয়ে আরো গবেষণা করতে তাদেরকে বাংলাদেশে নেয়ার আন্তরিক চেষ্টা করবেন। 
বাংলাদেশ সরকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মেহেরপুর জেলায় প্যানোরোমা জাদুঘর স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।  ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর এই জেলায় ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়েছিল। 
সচিব জানান, রাজধানী থেকে মেহেরপুরের দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার হওয়ায় তরুণ প্রজন্মের নিকট সহজ গন্তব্য উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকায় আরও একটি প্যানারোমা জাদুঘর স্থাপন করা হতে পারে। যদিও এখনো সেই ধরনের কোনো পরিকল্পনা নেই। 
খাজা মিয়া জানান, এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। তবে তিনি আশা করেন যে, তুরস্কের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তিনি যথাযথ সহযোগিতা পাবেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat