×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-১২-০৩
  • ১০৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার চরমুক্তারপুরের একটি ভবনে বিস্ফোরণে দগ্ধ ভাইবোনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে শহরের চর মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট রোডে জয়নাল মিয়ার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একই পরিবারের চারজনসহ ৫জন ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন। বিস্ফোরণে দগ্ধ প্রতিবেশী হৃতিকা পালকে (৪) স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব খান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাতেমা ওরফে নোহর (৩) ও ইয়াসিন (৬)মারা যায়। তাদের বাবা-মা এখন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন। শান্তা বেগমের (২৭) শরীরের ৫৫ শতাংশ এবং বাবা কাওসার খানের (৩৬) ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে- গ্যাস লিকেজ হয়ে কক্ষে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। শীতের কারণে কক্ষের সব জানালা বন্ধ ছিল। তবে প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তিতাস গ্যাসের সহকারি কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম তুহিন বলেন, গ্যাস লিগেজের কোন প্রমাণ মেলেনি। তবে চুলোর সুইসটা তেমন ভালো না। রান্নার পরে চুলোর গ্যাস বন্ধ না করার কারণেও হতে পারে।
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসিব সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের বলেছেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক। তবে বিস্ফোণের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।
প্রত্যক্ষদর্শী হাজী মজিবুর রহমান খান জানান, হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। এসে দেখি ৩টি রুমেই আগুন। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নেভায়। পরে শাহ সিমেন্ট কারখানা থেকে গাড়ি এনে দগ্ধ চারজনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউট হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মোবিলাইজিং অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, পুঞ্জিভূত গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat