×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০২-২৪
  • ১১১৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জয়পুরহাট জেলায় পরকিয়ার জের ধরে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ তিন আসামীর মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দীর্ঘ শুনানী শেষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ মো: নুর ইসলাম জনাকীর্ণ আদালতে মৃত্যুদন্ডের এ আদেশ দিয়েছেন।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হচ্ছে-দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ডুগডুগি দেওগ্রামের নিহত রহিম বাদশার স্ত্রী আকলিমা বেগম (২৭), শালগ্রামের সেলিম হোসেন (৩৪) ও একই এলাকার গোপালপুর গ্রামের আইনুল হোসেন (৩৭)। মামলায় জামিন নেয়ার পর থেকে আসামী আকলিমা বেগম পলাতক থাকলেও অন্য দুই আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করা হয়।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ডুগডুগি দেওগ্রামের রহিম বাদশা ছিলেন মাইক্রোবাস চালক। তার সহকারি ছিলেন একই এলাকার শালগ্রামের আসামী সেলিম হোসেন।সেই সূত্র ধরে বাড়িতে যাতায়াতের এক পর্যায়ে সেলিম রহিম বাদশার স্ত্রী আকলিমা বেগমের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই সম্পর্ক পোক্ত করতেই সেলিম তার বন্ধু আইনুলকে সাথে নিয়ে রহিম বাদশাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৬ সালের ১০ জুলাই বাড়ি ফেরার পথে পাঁচবিবি উপজেলার বারোকান্দি সড়কে রহিম বাদশাকে তারা গলা কেটে হত্যার পর মাইক্রোবাসে রেখে পালিয়ে যায়।
পরের দিন ১১ জুলাই তার লাশ উদ্ধারের পর নিহতের বাবা শাহাদত হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামী করে পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তিনদিন পর পুলিশ সেলিম হোসেনকে গ্রেফতার করলে হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন হয়। পরে মামলার অপর দুই আসামীকেও পুলিশ গ্রেফতার করে। মামলায় জামিন নেয়ার পর থেকে আসামী আকলিমা বেগম পলাতক রয়েছে।
মামলায় দীর্ঘ প্রায় ৬বছর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে হত্যাকান্ডের সাথে সন্দেহাতীতভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat