×
ব্রেকিং নিউজ :
নড়াইলের পল্লীতে ভ্যান চালককে কুপিয়ে খুন ও অটোভ্যান চালকের রহস্যজনক মৃত্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ মে নয়াদিল্লিতে জেসিসি বৈঠকে যোগ দেবেন বাংলাদেশের তথ্যের ভিত্তিতে হালদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে : দোরাইস্বামী আলোচনায় বঙ্গবন্ধুর কলকাতা জীবন উল্লাপাড়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত কার্যকরভাবে তামাকপণ্যের দাম বাড়ালে বাড়বে রাজস্ব বিএনপি-জামাত দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুর্বত্তায়ন ঘটিয়েছে : চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগ কুল-বিএসপিএ বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় মিরাজ, তপু ও দিয়া সারা দেশে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত কুড়িগ্রামে মাসব্যাপী পুনাক শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু
  • আপডেট টাইম : 11/05/2022 11:53 PM
  • 48 বার পঠিত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, অপরিচর্যিত ছাদবাগান ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
আজ বুধবার দুপুরে ধোলাইখাল পাম্প স্টেশন ও জলাধার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘অপরিচর্যিত ছাদবাগানে পানি জমে থাকে এবং সেখানে লার্ভা জন্মায়। কিন্তু ছাদবাগান যদি যথাযথভাবে পরিচর্যা করা হয়, তাহলে সেখানে লার্ভা জন্মাতে পারে না। সুতারাং, অপরিচর্যিত ছাদবাগান ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তিনি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকাবাসীর সহযোগিতা চান।
তিনি বলেন, এখন থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে, গত বছর একটানা চার মাস বৃষ্টি হয়েছে। এবারও যদি সে রকম হয়, তাহলে আমাদের জন্য কাজ করা অত্যন্ত দুরূহ হবে। কারণ আমাদের বাসায়, স্থাপনায়, বাড়ির আনাচে-কানাচে, ছাদবাগানে বৃষ্টির পানি জমে থাকে। ছাদবাগানগুলো যেন সঠিকভাবে পরিচর্যিত থাকে। সেজন্য ঢাকাবাসীর সহযোগিতা চাই।
এর আগে মেয়র শেখ তাপস ওয়ারিস্থ ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচালিত এডিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ চিরুনি অভিযানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বর্ষা মৌসুম শুরু হলে আমাদের দুটি মূল কাজ অগ্রাধিকার পায়। একটি হলো মশক নিধন ও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে রাখা, যাতে করে ঢাকাবাসী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত না হন এবং দ্বিতীয়ত কাজটি হলো জলাবদ্ধতা নিরসন, যাতে করে জলমগ্নতা না হয়। এই দুটি বিষয়কে বিবেচনা করেই আমরা এবার অগ্রিম কাজ আরম্ভ করেছি।
মেয়র তাপস বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রাক মৌসুমের একটি জরিপ করেছে। সেখানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তিনটি ওয়ার্ড অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং চারটি ওয়ার্ড মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আমরা এই সাতটি ওয়ার্ড নিয়েই কাজ আরম্ভ করেছি, যাতে করে কোথাও এই লার্ভা জমে না থাকতে পারে।
এ সময় মেয়র তিনটি বাড়ির ছাদবাগান ও ছাদ স্বশরীরে প্রত্যক্ষ করেন এবং পানি জমে আছে, এমন স্থানে কীটনাশক প্রয়োগের নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...