×
ব্রেকিং নিউজ :
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ বিষয়ক জাতিসংঘ সাইডলাইন কনফারেন্স অনুষ্ঠিত মান্দায় বিদ্যুৎ লাইনের গাছপালা সাফ করতে গিয়ে মারধরের শিকার শ্রমিক আফিফের হাফ-সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৫৮ রান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে সরকারের কমিটি গঠন জীবনমান উন্নয়নে চা শ্রমিক পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই : ওবায়দুল কাদের পর্যটন এলাকায় অবকাঠামোসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার সুপারিশ পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক চীন ও বাংলাদেশ অপরিহার্য কৌশলগত অংশীদার : রাষ্ট্রদূত পঞ্চগড়ের করোতোয়ায় নৌকাডুবিতে হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক
  • আপডেট টাইম : 22/09/2022 07:29 PM
  • 31 বার পঠিত

জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি হত্যার ঘটনায় আসামি ইছাহাক আলীর খালাসের রায় স্থগিত চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ আজ একথা জানান।
রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি হত্যার দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির চার জঙ্গির মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল ও এক আাসামিকে খালাস দিয়ে গতকাল রায় দিয়েছে হাইকোর্ট বিভাগ। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জেএমবির পীরগাছার আঞ্চলিক কমান্ডার উপজেলার পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়ার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, বগুড়ার গাবতলী এলাকার লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কুড়িগ্রামের রাজারহাটের মকর রাজমাল্লী এলাকার আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব ও গাইবান্ধার সাঘাটার হলদিয়ার চর এলাকার সাখাওয়াত হোসেন। খালাস পেয়েছেন পীরগাছা উপজেলার পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়ার ইছাহাক আলী।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ, সহকারী এটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস, এ মান্নান ও জাকির হোসেন মাসুদ। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ। এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।
২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি হত্যার দায়ে জেএমবির পাঁচ জঙ্গিকে মৃত্যুদন্ড দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা আপিল ও জেল আপিল করে। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন-মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, ইছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব ও সাখাওয়াত হোসেন। দন্ডপ্রাপ্ত বিপ্লব পলাতক। হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারিক আদালতে খালাস পান পীরগাছার কালীগঞ্জ বাজারের আবু সাঈদ।
চার্জশিটভুক্ত আট আসামির মধ্যে অন্য দু’জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাদের মামলার অভিযোগ থেকে বাদ দিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়। জেএমবির ওই আট জঙ্গির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৭ আগস্ট রংপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। পরে মামলাটি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকারের আদালতে স্থানান্তরিত হলে ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার  বিচার শুরু হয়। মামলায় বাদী পক্ষের ৫৫ জন সাক্ষী ও আসামি পক্ষের একজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত।
২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর জাপানি নাগরিক কুনিও হোসিকে কাউনিয়া উপজেলার আলুটারি এলাকায় গুলি করে হত্যা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির জঙ্গিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...