×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-২৭
  • ৬৩৮৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সদ্যবিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১ লাখ ২৫ হাজার ৪২৪ কোটি টাকার মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আহরণ করেছে- যা এর আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশের বেশি।
২০২১-২২ অর্থবছরে ভ্যাট আহরণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। সেই হিসেবে সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে ১৭ হাজার ৪ কোটি টাকার ভ্যাট বেশি আদায় হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এনবিআরের ভ্যাট উইংয়ে মাঠ পর্যায়ে ১২টি ভ্যাট কমিশনারেট রয়েছে।এর মধ্যে চট্টগ্রাম, খুলনা ও ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট ভ্যাট আদায়ে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই কশিনারেটগুলো রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৩৮.৭১ শতাংশ, ২৪.৭১ শতাংশ এবং ১৯.৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
এনবিআরের তথ্যমতে, সর্বোচ্চ ভ্যাট আদায় করেছে এলটিইউ ভ্যাট কমিশনারেট। এই কমিশনারেট মোট ৫৮ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকার ভ্যাট আদায় করেছে। যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৬ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা বেশি। প্রবৃদ্ধি ১১.৭০ শতাংশ।   
এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা  বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী ভ্যাট আয় অর্জিত হয়নি। নতুবা আরও বেশি হারে ভ্যাট অর্জিত হতো। তবে এর মধ্যেও বিদায়ী অর্থবছরে যে হারে ভ্যাট এসেছে সেটাকে বড় অর্জন বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, মূলত তিনটি কারণে ভ্যাট আয়ে ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সেগুলো হলো- মাঠ পর্যায়ে ভ্যাট আহরণে কঠোর মনিটরিং, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপকরণ বা উৎপাদন সহগ হালনাগাদকরণে জোরদার এবং ভ্যাট ফাঁকি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
এনবিআরের তথ্য মতে, গেল অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি ভ্যাট এসেছে সিগারেট বা তামাক পণ্য থেকে। এই খাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আদায় হয়েছে ৩২ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বেশি। প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ। মোবাইল ফোন অপারেটার্স থেকে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৯ হাজার ৪৩৮ কোটি টাকা। প্রবৃদ্ধি ১১ শতাংশ।
এর বাইরে যেসব খাতে বেশি প্রবৃদ্ধি এসেছে সেগুলো হলো এমএস রড ৫৮.৪৬ শতাংশ, কোমল পানীয় ৩১.১৯ শতাংশ, সিমেন্ট ৩৩.৭২ শতাংশ, বাণিজ্যিক স্থান ভাড়া ২০.১১ শতাংশ। এছাড়া পেট্রোবাংলার গ্যাস ও বিপিসির পেট্রোলিয়াম পণ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ২১.৬৮ শতাংশ ও ২৩.৪৩ শতাংশ। 
এনবিআর জানায়, মনিটারিং বাড়ানোর ফলে মিষ্টির দোকান থেকে ভ্যাট আদায় ৩৮ শতাংশ, আবাসিক হোটেলে ৩৯ শতাংশ এবং রেস্টুরেন্ট থেকে  ১৬.৭৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা গেছে।। 
উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ভ্যাট আহরণের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat