×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-১৩
  • ৮৮২৩৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হিসেবে আজকের অগ্রগতি অব্যাহত রেখে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের ঠিকানায় যদি বাংলাদেশকে পৌঁছাতে হয় তাহলে দেশবিরোধী ও ঘৃণার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, 'দেশটাই যারা চায়নি, সেই জামায়াতে ইসলামী দেশের পতাকার বিরুদ্ধে চারতারার পতাকার পক্ষে যুদ্ধ করেছিলো পাকিস্তানিদের দোসর হয়ে। তাদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে, তাদেরকে আঁচলের তলায় ছায়া দিয়ে, তাদেরকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করা যদি বন্ধ না হয়, দেশকে আমরা স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে পারবো না।'
মন্ত্রী আজ বিকেলে রাজধানীতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, 'এ দেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত সরকারের অধীনেই সেক্টর কমান্ডাররা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, বেতন পেতেন। জিয়াউর রহমানও ৪শ’ টাকা বেতন নিতেন। ঐতিহাসিক সত্যটা হচ্ছে এই যে, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত ছিলো এবং তার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণটা পাকিস্তানিদের সহযোগী হিসেবে ছিলো, ঘটনাপ্রবাহ তাই প্রমাণ করে।' 
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, '১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের সবচেয়ে বড় বেনিফিসিয়ারি হচ্ছে জিয়া ও তার পরিবার। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সাথে ওতোপ্রোতভাবে যুক্ত তার প্রমাণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর খন্দকার মোশতাক তার আস্থাভাজন বলেই জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনীর প্রধান নিয়োগ করেছিলেন। জিয়া বঙ্গবন্ধুর সমস্ত হত্যাকারীদের বিদেশে দূতাবাসে চাকরি দিয়ে দেশ ত্যাগের সুযোগ করে দিয়ে তাদের পুনর্বাসন করেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করার জন্য জারি করা ইনডেমনেটি অধ্যাদেশকে বৈধতা দিতে ১৯৭৯ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে সেটিকে আইনে রূপান্তরিত করার জন্য সরকারি দলের পক্ষে প্রস্তাব এনে সেই আইন পাশ করা হয়েছিলো।'
ইতিহাসের সত্যগুলো তুলে ধরতে গেলে কিছু কথা বলতে হয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'সমস্ত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী মানুষ বিএনপিতে যোগদান করেছিলো। বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডকে উপহাস করার উদ্দেশ্যে ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালন করতেন।  মির্জা ফখরুল সাহেবের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, তার বাবাও একজন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মানুষ ছিলেন, স্বাধীনতার পর কিছু দিন আত্মগোপনে ছিলেন।'
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সাবেক মন্ত্রী এ. বি তাজুল ইসলাম এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল জলিল ভুঁইয়া, আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat