×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৯-২৪
  • ৭৪৮৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ব রেটিনা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ডায়াবেটিস রোগীদের বছরে ১ বার চোখের রেটিনা পরীক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালী শেষে আয়োজিত এক শোভাযাত্রায়  তারা এ আহবান জানান।
বিএসএমএমইউ চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ ও বাংলাদেশ ভিট্রিওরেটিনা সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে ‘ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি, অযতেœ বাড়ে চোখের ক্ষতি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব রেটিনা দিবসটি পালিত হয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো: শারফুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের সামনে  শেখ রাসেল ফোয়ারা থেকে বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, যেকোনো দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণে চোখের অনেক ক্ষতি হয়। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার সাথে সাথে নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করা উচিত।
সেমিনারে বলা হয়, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ধরা পড়লে তা একদম সারানো যায় না। তবে নিয়মিত চিকিৎসা, থেরাপি ও পরীক্ষার মাধ্যমে চোখের ক্ষতি এড়ানো যায়। ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি গুরুতর পর্যায়ে গেলে অপারেশন বা লেজার থেরাপি ছাড়া উপায় থাকে না। রেটিনায় রোগ প্রতিরোধ করার জন্য ডায়াবেটিসে আক্রান্ত  হয়ে থাকলে রেটিনা পরীক্ষা করাতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে। একই সঙ্গে বছরে একবার রেটিনা পরীক্ষা করাতে হবে।
সেমিনারে আরো বলা হয়, পৃথিবীতে যেসব কারণে অন্ধত্ব হয়, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি তার অন্যতম কারণ। ডায়াবেটিসে হার্ট, চোখ এবং কিডনির ওপর প্রভাব পড়ে সবচেয়ে বেশি। ডায়াবেটিসের প্রভাবে অন্ধত্ববরণও করতে পারেন, যাকে বলা হয় ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি। ডায়াবেটিস চোখের সব অংশের তুলনায় রেটিনায় বেশি ক্ষতি করে। যাঁর যত বেশিদিন ধরে ডায়াবেটিস রয়েছে, তাঁর রেটিনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি। দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা ডায়াবেটিসে ভোগেন, তাদের দৃষ্টিশক্তি ক্রমেই কমতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে তৈরি হয় ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো রোগ। কারো ১০ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ডায়াবেটিস থাকলে এই রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। নীরব ঘাতক এই রোগটি একেবারে শেষ পর্যায়ে ধরা পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat