×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১০-১১
  • ৭৯২০৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠকের পর জানান যে প্রতিনিধিদলকে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার ব্যাপারে জনগণের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলটি আজ সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে বৈঠক করে। পরে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।
আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওনারা (মার্কিন প্রতিনিধিদল) জিজ্ঞেস করেছেন যে এ রকম আশঙ্কা করা হচ্ছে কি না, নির্বাচনে কে আসবে, কে আসবে না। আমি বলেছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার চায়, সব দল নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কে নির্বাচনে আসবে, কে আসবে না- সেটি সেই দলের সিদ্ধান্ত।’
আইনমন্ত্রী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, তার সঙ্গে বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে কোনো কথা হয়নি। সংলাপ নিয়েও তারা (প্রতিনিধিদল) জিজ্ঞাসা করেনি। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা নিয়ে তার সঙ্গে কথা হয়েছে। অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বিষয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে।  নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা বজার রাখার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইন করাসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপও  তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের বলেছি কমিশন নিয়োগে এই উপমহাদেশে কোথাও আইন নেই। আমাদের এখানেও ছিল না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু করতে প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর, নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে- এমন সকল বিভাগ ও প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের অধীনে পরিচালিত হয়।
আনিসুল হক বলেন, প্রতিনিধিদলের বক্তব্য ছিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের মধ্যে পার্থক্যটি কোথায় ? পার্থক্যের কথা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাবে বলা হয়েছে।
প্রতিনিধিদলটি আমাদের জুডিশিয়ারী সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমাদের  জুডিশিয়ারির সম্পূর্ণ ইতিহাস তুলে ধরে হয়েছে।  আইনমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্-নির্বাচনী প্রতিনিধিদলটি কোনো সাজেশন দেয়নি। তারা শুনতে চেয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কে আসবে, কে আসবে না- তা নিয়ে আশঙ্কা আছে কি না, ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্-নির্বাচনী প্রতিনিধিদল আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের কাছে সেটা জানতে চেয়েছে । জবাবে আইনমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার চায়, সব দল নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কে নির্বাচনে আসবে, কে আসবে না- সেটি সেই দলের সিদ্ধান্ত।
আগামী সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর বিষয়টি মূল্যায়ন করতে গত শনিবার ঢাকায় আসে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) ও ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) সমন্বয়ে গঠিত মার্কিন প্রতিনিধিদলটি। নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে তারা ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছে। তারই ধারাবাহিকতায় ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলটি আজ সচিবালয়ে প্রথমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে বৈঠক করে। পরে আইন মন্ত্রণালয়ে এসে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে বৈঠক করে। তবে বৈঠকের বিষয়ে প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat