×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় জিগজ্যাগ ইট ভাটার ছাড়পত্র ও কয়লার সংকট নিরশনের দাবিতে মানববন্ধন বান্দরবানে অনুদানের চেক বিতরণ করলেন বীর বাহাদুর ঝালকাঠিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ২১ লাখ টাকার চেক বিতরণ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ বিএনপি অত্যাচারী দল, বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই ওঠে না : রওশন এরশাদ দুর্ভিক্ষ যাতে কখনই বাংলাদেশের ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য আগে থেকে কাজ করুন : সচিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী টোকিও নয়, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর স্থগিত করেছে ঢাকা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচিবদের প্রতি নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর কৃষি জমি ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই : শিক্ষামন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 10/10/2022 12:32 PM
  • 1675 বার পঠিত

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারসহ সাতজনকে আসামি করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেয়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছে আদালত।
আজ সোমবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হালিমের আদালতে শুনানি শেষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) কামরুল ইসলাম।
তিনি জানান, আসামিপক্ষে নারাজি এবং পুনঃতদন্তের আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে তা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারসহ সাতজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই।
মামলায় আসামিরা হলেন- সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার, মোতালেব মিয়া প্রকাশ ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, এহতেশামুল হক ভোলা, শাহজাহান মিয়া, কামরুল ইসলাম শিকদার প্রকাশ মুছা ও খায়রুল ইসলাম প্রকাশ কালু। এদের মধ্যে মুছা ও কালু পলাতক রয়েছে।
২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে পরবর্তী এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে বাবুল আক্তারের নাম। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই।
পরে গত বছরের ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আট জনকে আসামি করে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। পরে তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়।
চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি মিতু হত্যা ঘটনায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে পিবিআই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...