Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
সরকার চীনের সিনোফার্মের ৭৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন ক্রয়ের আদেশ দিয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ শেখ কামাল কোটি তরুণের অন্তরে প্রেরণার প্রদীপ্ত প্রজ্জলিত শিখা : ওবায়দুল কাদের শেখ কামাল ছিলেন নিখাদ দেশপ্রেমিক : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালিত অভিনয়-মডেলিংয়ের আড়ালে অনৈতিক কাজ করলে দায় এড়ানো যাবেনা : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা ছাড়ালো ২০ কোটির মাইলফলক চট্টগ্রামে ১ হাজার ১১৭ জন করোনা শনাক্তের দিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু সারাদেশে শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত উল্লাপাড়ায় করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে " সামাজিক বিপ্লব " গড়ে তুলেছে ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শওকাত ওসমান মশক নিধনে চসিকে এক মাসের ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু
  • আপডেট টাইম : 12/07/2021 11:26 PM
  • 56 বার পঠিত

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার পলাতক তিন আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন চট্টগ্রামের আদালত।  
আজ সোমবার  বিকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। 
পলাতক তিন আসামি হলো- কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা, এহতেশামুল হক ভোলা ও খায়রুল ইসলাম কালু। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। 
সন্তোষ কুমার চাকমা জানান, মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তিন আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম। সোমবার আদালত শুনানি শেষে আমাদের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আদালত থেকে আদেশটি দেশের সকল স্থল ও বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে মাহমুদা খানম মিতু তার ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। মিতু হত্যার ৫ বছরের মাথায় গত ১২ মে তার পিতা মোশারফ হোসেন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মিতুর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই মামলার তদন্তভার নেয় পিবিআই।
পিবিআই ১২ মে বাবুল আক্তারকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য। কিন্তু বাবুল আক্তার আদালতে জবানবন্দি না দেওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ বাবুল আক্তারকে ফেনী কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করেন।
এজাহারভুক্ত ৮ আসামির পাঁচজন কারাগারে থাকলেও, শুরু থেকে আলোচনায় থাকা কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা ও খায়রুল ইসলাম কালুর কোনো হদিস পায়নি ডিবি, পিবিআই কিংবা পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। উধাওয়ের তালিকায় পরে যুক্ত হয় এহতেশামুল হক ভোলা। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...