×
ব্রেকিং নিউজ :
ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে পিটিএ স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঝিনাইদহে ৩১০ জনকে কম্পিউটার ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান লুগানস্ক দখলের পর অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ পুতিনের পদ্মা সেতুতে জয়, পুতুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্ত হলো নতুন দুই গ্যান্ট্রি ক্রেন কেউ যেন কষ্ট না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ৩৬ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি উন্নত আইটি প্রশিক্ষণ, কৌশলগত উৎকর্ষসহ ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: রাষ্ট্রপতি ঢাবি ‘ক’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থনা
  • আপডেট টাইম : 20/06/2022 10:45 PM
  • 55 বার পঠিত

জননী সাহসিকা কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারী আন্দোলন-সংগ্রামের মশালবাহক ছিলেন।’
কবি সুফিয়া কামালের ১১১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আজ বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে মহিলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক স্মারক বক্তৃতায় বক্তারা একথা বলেন।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে এই সুফিয়া কামাল স্মারক বক্তৃতা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কাবেরী গায়েন অনুষ্ঠানে “সুফিয়া কামাল ও নারীবাদি আন্দোলন” শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা করেন।
অধ্যাপক কাবেরী গায়েন বলেন, নারীর মুক্তিকে মানবমুক্তি হিসেবে দেখার যে মন্ত্র বেগম রোকেয়া ছড়িয়েছিলেন, সেই মন্ত্রে এবং কাজে দীক্ষিত ছিলেন বেগম সুফিয়া কামাল। তাঁকে কেন্দ্র করেই রোকেয়া পরবর্তী বাংলাদেশের নারী আন্দোলন অগ্রসর হতে থাকে। তাঁর সাহিত্যিক অভিযাত্রায় বেগম রোকেয়ার নারীবাদী প্রভাব ছিলো। পাশাপাশি নারী সাহিত্যিক হিসেবে তার লেখায় নারীর প্রতি সুষ্পষ্ট দায়বদ্ধতার দৃশ্যমানতা ছিল। বেগম রোকেয়ার সাথে কাজ করে আসার অভিজ্ঞতাসহ নারীর জন্য আন্দোলন করার অভিজ্ঞতা এবং সাম্প্রদায়িক বাধাকে মোকাবেলা করে নারী সমাজের মুক্তির জন্য সুফিয়া কামালের সক্রিয় ভূমিকা পালন তাকে এদেশের নারী আন্দোলনের অবিসংবাদিত আইকনে পরিণত করে।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭০ সালে মহিলা পরিষদ গঠিত হবার পরে এদেশের নারীদের আন্দোলন-সংগ্রামের “মশালবাহক” হয়ে ওঠেন সুফিয়া কামাল।
মহিলা পরিষদ সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী পালনের সাথে নারী আন্দোলন ও সামাজিক আন্দোলনের একটা আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। মহিলা পরিষদের দীর্ঘ পদযাত্রায় কবি সুফিয়া কামালের প্রজ্ঞা, আদর্শ , নারীবাদী মতবাদ ও অনুপ্রেরণা একাত্ম হয়ে আছে, যা আজকের স্মারক বক্তৃতায় অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এই অনুপ্রেরণা আগামী দিনের নারী আন্দোলনকে আরো গতিশীল করবে।
মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, শত বছর আগে কবি সুফিয়া কামাল রক্ষণশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, স্বাধীনচেতা এবং অসাম্প্রদায়িক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেন। পরবর্তীতে বেগম রোকেয়ার নারীবাদী দর্শনের সাথে তার সংশ্রব ঘটে এবং তার নানা ধরণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নারী মুক্তির আন্দোলন অগ্রসর হতে থাকে। তিনি নারী মুক্তির আন্দোলন, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন সৃষ্টিশীল উদ্যোগের সাথে যুক্ত ছিলেন।
কবির জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী ইফ্ফাত আরা দেওয়ানকে এবছর কবি সুফিয়া কামাল সম্মাননা প্রদান করা হয়।
ইফ্ফাত আরা দেওয়ান কবির স্মৃতিচারণ করে বলেন, শৈশব থেকেই কবি সুফিয়া কামালের সাথে সময় কেটেছে। আমার সংগীত কর্মসহ সকল কর্মকান্ডের প্রেরণাদাত্রী ছিলেন তিনি।
মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কবি সুফিয়া কামালের পারিবারিক সদস্য সাঈদা কামাল এবং সংগঠনের অর্থ সম্পাদক দিল আফরোজ বেগম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...