×
ব্রেকিং নিউজ :
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেল একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক পতাকা উড়ানো দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশল প্রণয়ন করেছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলে সংস্কার স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে: খসরু সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব বিএনপি নেতা ডাবলু ‘হত্যা’র ঘটনায় সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চাইলেন মির্জা ফখরুল পার্বত্যবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ পার্বত্য উপদেষ্টার ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ছে সরকার : মিডা চেয়ারম্যান পে কমিশনের কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে: অর্থ উপদেষ্টা সাবেক এমপি মমতাজের বাড়ি ও জমি ক্রোক সংবিধান সংস্কারে গণভোট: স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৩-২২
  • ১১৮৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

কথাসাহিত্যিক শামসুন নাহার রচিত ‘রক্তাক্ত মাগুরা: প্রেক্ষিত-মুক্তিযুদ্ধ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
বুধবার (২২ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালা স্টুডিও হলরুমে এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বইয়ের লেখিকা কথাসাহিত্যিক শামসুন নাহার। ‘অর্জন প্রকাশনের’ প্রকাশক আবু হাশেম সরকারের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আহসান হাবিব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম শামীম আখতার, যশোর কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, সাংবাদিক কলামিস্ট ও গীতিকার মীর আব্দুল আলীম, লেখক-কলামিস্ট, সাংবাদিক এইচ এম মেহেদী হাসান, মানবাধিকার কর্মী মনিরুল ইসলাম মনির।

বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ-নির্ভর রচনার সংখ্যা খুব বেশি নয়। পাঠকপ্রিয়তার বিচারে এ সংখ্যা আরও কম। কথাসাহিত্যিক শামসুন নাহার এই দুরূহ ক্ষেত্রে বিচরণ করছেন স্বচ্ছন্দে। ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ রচনার ধারায় তিনি লিখেছেন ‘রক্তাক্ত মাগুরা: প্রেক্ষিত মুক্তিযুদ্ধ’। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে অর্জন প্রকাশন। বইটির মূল্য ৫০০ টাকা। এছাড়া ঘরে বসে রকমারি.কম থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।

২০১৯ সালে লেখক সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করে বইটি লিখেছেন। তথ্য সংগ্রহ করতে যেয়ে তিনি গ্রামে-গঞ্জে, হাটে-মাঠে যেখানেই গণহত্যা, গণকবর বা বধ্যভূমির সন্ধান পেয়েছেন সেখানেই ছুটেছেন। স্থানীয় মানুষের সাথে কথা বলেছেন। স্বজন হারানো পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, ছবি তুলেছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য বিভিন্ন প্রেক্ষিত তুলে ধরে সঠিক উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat