×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হেজবুল্লাহর সংসদ সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের আহ্বান আসিফ মাহমুদের ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৮-২৭
  • ৪৯০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
যুদ্ধাপরাধে রাজশাহীর পুঠিয়ার ফিরোজ খাঁ’র মৃত্যুদন্ড

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ’র মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এ রায় দেন। এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৩৯ তম রায়।
এর আগে ৮ জুলাই এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসমিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য রাখা হয়। আজ রায় ঘোষণার বিষয়ে গতকাল আদেশ দেয়া হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ন।
আসামির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) প্রসিকিউশনের ১৫ জন সাক্ষী জবানবন্দি পেশ করেন। অন্যদিকে আসামির পক্ষে কোনো সাফাই (ডিফেন্স) সাক্ষী ছিল না।
প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়। এরপর ৪ জুলাই যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে ৮ জুলাই শেষ হয়। ওইদিন মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রাখা হয়। রায়ের প্রতিক্রিয়ার প্রসিকিউশন জানায় আনীত অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন তারা।
রাজশাহীর পুঠিয়ার বাঁশবাড়ী এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে মো.আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ মুক্তিযুদ্ধের আগে মুসলিম লীগের সমর্থক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে শান্তি কমিটির স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন। আসামির বিরুদ্ধে মামলায় মুক্তিযুদ্ধকালে চারজন সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন, ৮ থেকে ১০টি বাড়িঘর লুণ্ঠনসসহ ৫০ থেকে ৬০টি বাড়িঘর অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংস করার অভিযোগ আনা হয়।
এ মামলায় ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি ফিরোজ খাঁ’কে গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat