×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হেজবুল্লাহর সংসদ সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের আহ্বান আসিফ মাহমুদের ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২১-১২-২৬
  • ৫৫৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে. এম. খালিদ বলেছেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী নন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম এক  নেপথ্য অনুপ্রেরণা দাত্রী। বঙ্গবন্ধুর ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে বঙ্গমাতা’র গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
আজ বিকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে এক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত সারাদেশের মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রগহণে জাতীয় পর্যায়ে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা-২০২১-এর পুরস্কার প্রদান করা হয়।
কে. এম. খালিদ আরো বলেন, বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় চেতনাকে আরো শাণিত করেছেন এ মহীয়সী নারী। মোদ্দাকথা, বঙ্গবন্ধুর ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে বঙ্গমাতা’র গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
তিনি বলেন, বঙ্গমাতা রাজনীতির নানা দুঃসময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন গঠনমূলক পরামর্শ। তাঁর বলিষ্ঠ ও সময়োপযোগী পরামর্শসমূহ জাতির জীবনে সুফল বয়ে এনেছে, যা জাতীয় ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণই মুখ্য বিষয় উল্লেখ করে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুরস্কার হলো স্বীকৃতি আর অংশগ্রহণ হলো মহাস্বীকৃতি। এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম জাতির সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব  মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলের সদস্য ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উপপরিচালক ও প্রতিযোগিতার মুখ্য সমন্বয়কারী এস এম শামীম আকতার। স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক আশরাফুল আলম পপলু।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat