×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হেজবুল্লাহর সংসদ সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের আহ্বান আসিফ মাহমুদের ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৩-০৭
  • ৪৩৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ নয়া দিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী ভাষণ স্মরণে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ যথাযথভাবে পালন করেছে।
১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু তৎকালীন রেসকোর্সে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতাকামী বাঙালিদেরকে তৎকালীন পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিমূলক সংগ্রাম পরিচালনার আহ্বান জানান। 
দিবসটি উপলক্ষে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং পরে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করা হয় । আলোচনায় অংশ নেন হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান ও মিশনের মিনিস্টার (প্রেস) শাবান মাহমুদ।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা ও স্বাধীনতার সনদ হিসেবে বর্ণনা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের ইতিহাসে একটি বড় উদাহরণ যে , স্বাধীনতা অর্জনের জন্য লড়াই করতে কীভাবে একটি ভাষণ সমগ্র জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। 
তিনি আরো বলেন, জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সারা বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের মধ্যে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে। ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি জাতির পিতার স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার স্বীকৃতি।
পরে বঙ্গবন্ধু ও একাত্তরের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে যথাযথভাবে দেশের কলকাতা, মুম্বাই, আগরতলা এবং গৌহাটিতে বাংলাদেশের ডেপুটি এবং সহকারী হাইকমিশনেও অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat