×
ব্রেকিং নিউজ :
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে দোয়া চাইলেন ডাঃ মোছাঃ শাহানা খাতুন (শানু) ফ্যামিলি কার্ডের আদলে চালু হচ্ছে ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইউএই-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে ১ কোটি ডলার বিনিয়োগ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালদ্বীপের জাতীয় বিমানসংস্থার অফিস উদ্বোধন ঢাকায়; সরাসরি ফ্লাইট চালু ১২ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর একতরফা শুল্ক বাতিলের আহ্বান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের জাহাজ বাড়ি মামলায় হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-১৪
  • ৩৪৮১৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ভূমি সচিব মো. খলিলুর রহমান বলেছেন, হাটবাজার গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। স্থানীয় শাসন শক্তিশালীকরণ ও স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়েই সরকার হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা প্রণয়ন করছে।
আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৪ চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত সভায় ভূমি সচিব একথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, বাণিজ্য, অর্থ, কৃষি, আইন, মুক্তিযুদ্ধ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সচিব আরও বলেন, প্রান্তিক কৃষক ও সীমিত পুঁজির ব্যবসায়ীরাও যাতে হাটবাজারকেন্দ্রিক অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন- সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। 
সভায় জানানো হয়, হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা ২০২৪’র খসড়ায় হাট-বাজার হতে প্রাপ্ত ইজারালব্ধ অর্থের ৪ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। বাকি ৫ শতাংশ অর্থ সেলামীসরূপ সরাসরি কেন্দ্রীয় রাজস্বে যুক্ত হবে। হাট ও বাজারের ইজারালব্ধ অর্থের বাকি ৯১ শতাংশ হাট ও বাজার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, হাট-বাজারের উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার রাজস্ব আয় ইত্যাদি। 
এছাড়া, হাট ও বাজারের পেরিফেরিভুক্ত সরকারি খাসজমিতে বহুতল বিশিষ্ট বিপনীবিতান নির্মাণের বিধানও রাখা হয়েছে খসড়া বিধিতে। 
উল্লেখ্য, হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, ‘হাট ও বাজার’ বা ‘হাট বা বাজার’ শব্দটি এমন কোনও স্থানকে বোঝায়, যেখানে সাধারণ মানুষ কৃষিপণ্য, ফলমূল, পশু, হাঁস-মুরগি, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, দুগ্ধজাত পণ্য, খাদ্য ও পানীয়, শিল্প পণ্য এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যগুলি দৈনিক ভিত্তিতে বা সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে ক্রয় ও বিক্রয় করে। ঐ স্থানে এই সকল পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য প্রতিষ্ঠিত দোকানও এর অন্তর্ভুক্ত। 
উল্লেখিত আইন অনুযায়ী- হাট ও বাজারের মালিকানা ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপর ন্যস্ত। কালেক্টর তথা জেলা প্রশাসক স্থানীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে। সাধারণত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের হাতে আওতাভুক্ত উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন হাট ও বাজারের ব্যবস্থাপনা করে থাকে। এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করে কোনো ভূমিতে কোনো হাট ও বাজার স্থাপন করা হলে উক্ত ভূমিসহ ঐখানে স্থিত সমস্ত স্বার্থ বা স্থাপনা সরকার বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, সারা দেশে মোট হাট-বাজার সংখ্যা ১০ হাজার ২৬৫টি। এর মধ্যে ৭ হাজার ৯৫৫টি ইজারাকৃত হাট ও বাজার থেকে প্রায় ৯৯০ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat