×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-১৯
  • ৫৭৩৩৯ বার পঠিত
  • আলমাহমুদ-ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট-সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন ইফতারির জন্য হরেক রকম মুখরোচক সুস্বাদু খাবার তৈরি করছে দোকানিরা । মুখরোচক সুস্বাদু খাবারের মধ্যে রয়েছে ঘোল, দৈই, পিয়াজু, বেগুনি, সোলা, বোন্দা, নিমকি, চানাচুর ইত্যাদি ।  ইফতারিতে সলপের বিক্ষ্যাত ঘোল না হলেই রোজাদারদের চলে না । ইফতারির পর ঘোল খেয়ে সারাদিনের ক্লান্তি দুর করেন রোজাদাররা । তাই ঘোলের চাহিদা উল্লাপাড়ায় বেশী । এ রমজান উপলক্ষে প্রতিদিন ৮ শত থেকে ১ হাজার মন ঘোল বিক্রয় হচ্ছে । রমজান ছাড়াও সাড়া বছর ৫০ থেকে ৬০ মন ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে ।  এই বিশাল ঘোলের চাহিদা মিটানোর জন্য সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলপ রেল স্টেশন ঘেঁসে রমজান উপলক্ষে গরে উঠেছে প্রায় ১০ ঘোল উৎপাদন কারখানা ৷ এখান থেকেই সারা উপজেলা সহ দেশের অন্যান্য জেলার ঘোলের চাহিদা মিটানো হয় । 
এ খামারিরা প্রতিদিন ভোরে গ্রামের দুগ্ধখামারদের কাছ থেকে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা কেজি দরে দুধ ক্রয় করছে । সেই দুধ কারখানায় নিয়ে এসে তা বিরতিহীনভাবে তিন-চার ঘণ্টা জ্বাল দিয়ে একটা পাত্রে রেখে দেওয়া হয় । তারপর সেই দুধ জমে গেলে তাতে চিনি ও অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু ঘোল । প্রতি কেজি এ ঘোল বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কিজি দরে । যা দুধের চেয়ে ঘোলের দাম দ্বিগুণ বেশী । 
দুধের চেয়ে ঘোলের দাম বেশী হলেও ক্রেতার কমতি নেই । সকাল হলেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা এসে লাইন দাড়ান লোভনীয় এ ভোগ্যপণ্যটি ক্রয় করার জন্য । 
ঘোল ক্রেতা আব্দুল আলিম জানান, সারাদিন রোজা থেকে শরীরের ক্লান্তি দুর করার জন্য ইফতারির সাথে ঘোল দরকার । তাই ঘোল কিনতে এসেছি । তবে দুধের চেয়ে ঘোলের দাম দ্বিগুণ । 
কথা হয় ঘোল উৎপাদনকারী আব্দুল মালেকের সাথে । তিনি জানান, সারাদেশে সলপের ঘোলের বেশ সুনাম রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ সলপে আসেন ঘোলের স্বাদ নিতে । সারা বছরই এখানে ক্রেতাদের আনাগোনা থাকে । তবে রমজান মাসে সলপের ঘোলের চাহিদা অনেক বেড়ে যায় । রমজানের আগে যেখানে ঘোলের চাহিদা ছিলো ৫০ থেকে ৬০ মন । বর্তমানে এর চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ শত থেকে ১ হাজার মন । তিনি আরো জানান, সলপে ১০ জন ঘোল উৎপাদনকারী রয়েছে । আমরা ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ঘোল উৎপাদন করতে পারছি না । দুধের সংকট রয়েছে।  দূরদূরান্ত থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা আসেন ঘোল কিনতে । আমরা সলপের ঘোলের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সর্বক্ষণ সচেষ্ট রয়েছি । আশা করছি সলপের ঘোলের সুনাম দেশজুড়ে আরও ছডিয়ে পড়বে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat