×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবেলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে রিক্সা, ভ্যান অটোচালক নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় ফরিদা পারভীন লালনের গানে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছেন : মৎস্য উপদেষ্টা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান তরুণদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেল একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক পতাকা উড়ানো দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশল প্রণয়ন করেছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলে সংস্কার স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে: খসরু সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব বিএনপি নেতা ডাবলু ‘হত্যা’র ঘটনায় সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চাইলেন মির্জা ফখরুল
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৫-০৬
  • ৩৪৪৫৮০৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ছবি: পিআইডি
উন্নয়নের নামে পরিবেশ ধ্বংসকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। পরিবেশ অধিদপ্তর শুধু প্রকল্প অনুমোদনের কাজ করছে-এ ধারণা বদলানো প্রয়োজন।

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বিআইসিসি-তে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান একথা বলেন।

‘বাংলাদেশ জাস্ট ট্রানজিশন একাডেমি: সবুজ অর্থনীতিতে সবার জন্য মর্যাদাপূর্ণ কাজ’ শীর্ষক সেশনে তিনি বলেন, পোড়ানো ইটের বিকল্প নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও, এটি এখনো কাঠামোগত পরিবর্তন অর্জন করেনি। উন্নয়ন যেন পরিবেশের বিরুদ্ধে না যায়, সে বিষয়ে নীতিগত সমন্বয় প্রয়োজন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, উন্নয়নের নামে পরিবেশ ধ্বংসকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।

উপদেষ্টা আরো বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর শুধু প্রকল্প অনুমোদনের কাজ করছে-এ ধারণা বদলানো প্রয়োজন। উন্নয়ন যেন পরিবেশের বিরুদ্ধে না যায়, সে বিষয়ে নীতিগত সমন্বয় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের সঠিক মানদণ্ড নিশ্চিত না হলে, ন্যায্য রূপান্তর সম্ভব নয়, বরং ‘গ্রীনওয়াশিং’ প্রবণতা বাড়ে। টেকসই পরিবর্তন কেবল জ্বালানি খাতে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। 

কৃষি, উৎপাদন ও টেক্সটাইলসহ প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা দরকার বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ভবনগুলোতে শুধু ‘সবুজ সনদ’ যথেষ্ট নয়, বরং দেখতে হবে-ওই ভবনগুলো নারী-বান্ধব কি না, শ্রমিকদের বিশ্রাম নিশ্চিত করা হচ্ছে কি না, পানির পুনঃব্যবহার ও টেকসই জ্বালানি ব্যবহৃত হচ্ছে কি না।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি খাত ও এনজিও একযোগে কাজ করলে টেকসই পদ্ধতিগুলো নীতিমালায় প্রতিফলিত হবে ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat