×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হেজবুল্লাহর সংসদ সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের আহ্বান আসিফ মাহমুদের ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২০-০৩-১৯
  • ৫৩১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশে মানব পাচার প্রতিরোধে আইওএম ও কোইকার চুক্তি

মানব-পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশে একটি প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশ এবং কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা)।
৫-বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের আওতায় মানব-পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা সৃষ্টিতে কাজ করবে এই দুই সংস্থা। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রকল্পটি বা¯Íবায়ন করবে আইওএম।
আইওএম-এর ঢাকা কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন আইওএম বাংলাদেশ-এর মিশন প্রধান ও বাংলাদেশ জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক নেটওয়ার্ক-এর সমন্বয়ক গিওরগি গিগাওরি এবং কোইকা বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ইয়ংহা ডো।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিÿণ ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০১৯ সালে প্রায় ৭ লাখ অভিবাসী দেশের বাইরে গেছেন। যেসব অভিবাসীরা অবৈধ পথে দেশের বাইরে যাচ্ছে তারা পাচারকারীদের হাতে শোষণ ও নিপীড়নের ঝুঁকির মুখে পড়ে। সারাবিশ্বে বর্তমানে আধুনিক দাসত্বের শিকার আনুমানিক চার কোটির বেশি মানুষ এবং জোরপূর্বক শ্রমের সর্বোচ্চ বি¯Íার এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিদ্যমান।
একদিকে যেমন মানব-পাচারের শিকার ও ভুক্তোভোগীদের সংখ্যার প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই, অপরদিকে বাংলাদেশে মানব-পাচারর অভিযোগে প্রায় ৪,৭০০ মামলা বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।
‘কোইকা-আইওএম ক¤িপ্রহেনসিভ প্রোগ্রাম টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রকল্পটি তিনটি ক্ষেত্রে কাজ করবে, যেমন- পাচারকারীদের বিচার নিশ্চিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগের দক্ষতা বৃদ্ধি, মানবপাচারে ক্ষতিগ্র¯Íদের টেকসই পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা প্রদান এবং ঢাকা, যশোর, সাতক্ষীরা এবং কক্সবাজারসহ সারাদেশে দশ লাখ মানুষের মাঝে পাচারের ঝুঁকি এবং নিরাপদ অভিবাসনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat