অতি-ডানপন্থীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ফরাসি যুবককে মারাত্মকভাবে পিটিয়ে হত্যার পিছনে ‘অতি-বামপন্থীদের’ হাত রয়েছে। ফ্রান্সের সরকার গতকাল রোববার এ কথা জানিয়েছে।
মার্চ মাসে স্থানীয় নির্বাচনের আগে এই হত্যাকাণ্ড দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
বৃহস্পতিবার দক্ষিণ-পূর্ব শহর লিওঁতে একজন বামপন্থী রাজনীতিকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে হামলার শিকার হয়ে মারাত্মকভাবে আহত হন ২৩ বছর বয়সী কুয়েন্টিন ডেরাঙ্ক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সমর্থকরা জানিয়েছেন, ডেরাঙ্ক কট্টর বামপন্থী দল ফ্রান্স আনবোউড (এলএফআই)-এর ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য রিমা হাসানের উপস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নিরাপত্তা প্রদান করেন। ওই সময়ে প্রতিদ্বন্দ্বী কর্মীদের একটি দল তাকে আক্রমণ করে।
হামলার পর ডেরাঙ্ককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তিনি কোমায় চলে যান।
তবে শনিবার প্রসিকিউটররা এএফপিকে জানিয়েছেন, তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে অতি-বামপন্থীরাই তাকে হত্যা করেছে।’
তিনি কট্টর বাম রাজনীতিবিদদের তাদের ভাষা দিয়ে ‘অবাধ সহিংসতা’ উসকে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
এদের মধ্যে ফরাসি পার্লামেন্টের বৃহত্তম বামপন্থী দল এলএফআই-এর সদস্যরাও রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ অভিযোগটি পুনর্ব্যক্ত করে সরকারি সম্প্রচারক ফ্রান্স ২-কে বলেন, ‘অতি-বামপন্থীরা’ হামলার সময় নেতৃত্বে ছিলেন।