×
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০২-১৬
  • ৬৫৬৬৬৯৬৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে ইসরাইল সরকার। এ পদক্ষেপকে আরব দেশগুলো ও সমালোচকেরা ‘বৃহৎ ভূমি দখল’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

জেরুজালেম থেকে এএফপি জানায়, ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ‘স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গভাবে জমির মালিকানা নির্ধারণ করে আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করা। তাদের দাবি, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বেআইনি জমি নিবন্ধনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা প্রয়োজন ছিল।

তবে মিশর, কাতার ও জর্ডান এ সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে সমালোচনা করেছে।

মিশরের সরকার এক বিবৃতিতে একে ‘অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করার লক্ষ্যে বিপজ্জনক উত্তেজনা’ বলে আখ্যা দিয়েছে। কাতার বলেছে, পশ্চিম তীরের জমিকে তথাকথিত ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণ করবে।

প্যালেস্টাইন অথরিটি আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এটি কার্যত সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার সূচনা এবং সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করার পদক্ষেপ।

ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণবিরোধী সংগঠন ‘পিস নাও’ রোববারের এই সিদ্ধান্তকে ‘মেগা ল্যান্ড গ্র্যাব’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন পুনরায় শুরু হবে। ইসরাইল ওই যুদ্ধে এই অঞ্চল দখল করে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিবন্ধন প্রক্রিয়া কেবল ‘এরিয়া সি’ অঞ্চলে চালু হবে, যা পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

পশ্চিম তীরকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে দেখেন ফিলিস্তিনিরা। তবে ইসরায়েলের ধর্মীয় ডানপন্থীরা অঞ্চলটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে আগ্রহী।

গত সপ্তাহে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা ১৯৯০-এর দশক থেকে কার্যকর অসলো চুক্তির আওতায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ জোরদারে কয়েকটি পদক্ষেপ অনুমোদন করে। এর মধ্যে ইহুদি ইসরায়েলিদের সরাসরি পশ্চিম তীরের জমি কেনার অনুমতি এবং ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রিত কিছু ধর্মীয় স্থানে ইসরায়েলি প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানের ব্যবস্থা রয়েছে।

পূর্ব জেরুজালেম বাদ দিলে পশ্চিম তীরের বসতি ও আউটপোস্টগুলোতে পাঁচ লাখের বেশি ইসরায়েলি বসবাস করেন, যা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত। একই অঞ্চলে প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat