হাওয়াইয়ের কিলাউয়া আগ্নেয়গিরিতে সোমবার চোখধাঁধানো লাভার ফোয়ারা ছুড়তে দেখা গেছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি হিসেবে সুনাম আরো জোরালো করেছে।
লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জেগে ওঠার পর গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কিলাউয়া নিয়মিতভাবে হাজার হাজার টন গলিত শিলা ও গ্যাস উদগীরণ করছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞরা জানান, উজ্জ্বল লাভা আকাশে ১ হাজার ৫০০ ফুট (৪৬০ মিটার) পর্যন্ত ছিটকে উঠছে এবং ধোঁয়া ও গ্যাসের কুণ্ডলি ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে।
ইউএসজিএস জানায়, এ ধরনের অগ্ন্যুৎপাত সাধারণত প্রায় এক দিন স্থায়ী হয়। তবে, এর মধ্যেই সর্বোচ্চ ১ লাখ টন সালফার ডাই-অক্সাইড নির্গত হতে পারে।
এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলে দৃশ্যমান কুয়াশা তৈরি করে— যা আগ্নেয়গিরির ধোঁয়াশা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।
এছাড়া আগ্নেয়গিরির কাচের সূক্ষ্ম কণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। হাওয়াইয়ান আগ্নেয়গিরির দেবী পেলের নামে নামকরণ করা এই সূক্ষ্ম তন্তুগুলো অত্যন্ত ধারালো এবং ত্বক ও চোখে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে।
১৯৮৩ সাল থেকে কিলাউয়া অত্যন্ত সক্রিয় এবং তুলনামূলকভাবে নিয়মিত অগ্ন্যুৎপাত ঘটিয়ে আসছে।
হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত ছয়টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির মধ্যে এটি একটি; এই দ্বীপপুঞ্জে বিশ্বের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি মাউনা লোয়া রয়েছে।
প্রতিবেশী মাউনা লোয়ার তুলনায় কিলাউয়া আকারে ছোট হলেও এটি অনেক বেশি সক্রিয়।