×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন :ইরানের দুই সংবাদমাধ্যম ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শনিবার সারাদিন যা যা হলো খামেনির মৃতদেহ পাওয়া গেছে : রয়টার্সকে ইসরায়েলি কর্মকর্তা খামেনি ‘বেঁচে নেই’ এমন লক্ষণ পাওয়া গেছে, দাবি নেতানিয়াহুর ইরানে হামলায় নিহত ২০১, আহত ৭৪৭: রেড ক্রিসেন্ট কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় এক বাংলাদেশিসহ আহত কয়েকজন প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানাতে হবে: বাংলাদেশ ইরানের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা হামলায় নিহত, দাবি ইসরায়েলের ইরানের ৩২ প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টিতে হামলা: রেড ক্রিসেন্ট সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে দোয়া চাইলেন ডাঃ মোছাঃ শাহানা খাতুন (শানু)
  • প্রকাশিত : ২০২১-০২-০৯
  • ৮১৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, জাতির সকল বিজয়ের প্রাণপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বঙ্গবন্ধু সুপরিকল্পিতভাবে ভাষার লড়াই থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে স্বাধীনতার আন্দোলন ও সংগ্রামে গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি গণতান্ত্রিক উপায়ে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করেছিলেন।
মন্ত্রী মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলী রোডের নিজ বাসভবন থেকে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘ভাষা থেকে স্বাধিকার’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে সেমিনারে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা ভাষার বয়স হাজার বছরের ঊর্ধ্বে হলেও বাংলা ভাষাভাষীদের জাতীয়তাবোধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্বে আসীন হয়ে বঙ্গবন্ধুই ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। দেশের সর্বত্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে উদ্ধুদ্ধ ও সুসংগঠিত করেছিলেন।
শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, “ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু কারাগারে থেকে এবং কারাগার থেকে মুক্তির পরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বাঙালিদের ক্রমান্বয়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এগিয়ে নিয়ে যান। ৫৪’র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের বিজয়, ৬২’র শিক্ষা কমিশন আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা দাবি উত্থাপন, ৬৮’র আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন ও ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গোটা বাঙালি জাতিকে চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে তোলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁরই নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাঙালি জাতি ১৯৭০ এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে এবং ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করে। বাঙালির সকল অধিকার আদায়ের আন্দোলন, সংগ্রাম ও বিজয়ে তিনিই প্রাণপুরুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat