×
ব্রেকিং নিউজ :
শান্তি আলোচনার বল এখন ইরানের কোর্টে : মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ায় নৌবাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা তদারকি করলেন কিম 'কৃষক কার্ড' বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল কুড়িগ্রামে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত মার্কিন অবরোধকে সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ বলল ইরান রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩’ উদযাপন উপনির্বাচনে কানাডার পার্লামেন্টে কার্নির লিবারেল পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ কৃষি অর্থনীতিকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উৎসর্গ করছে সরকার: নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তায় তথ্যমন্ত্রী মেহেরপুরে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-০৪
  • ৭০৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ‘এমভি অভিযান-১০’ লঞ্চে অগ্নিকান্ডের মামলায় লঞ্চের তিন মালিককে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
লঞ্চের মালিকরা হলেন, হামজালাল শেখ (৫৫),  মো. শামীম আহমেদ (৪৩) ও  মো. রাসেল আহম্মেদ (৪৩)। 
মঙ্গলবার নৌ-আদালতের বিচারক স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগমের আদালতে তাদের ‘শ্যোন এরেস্ট’ দেখিয়ে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার জন্য আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের প্রসিকিউটিং অফিসার বেল্লাল হোসাইন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামীদের গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আগামি ১৯ জানুয়ারি আদালতে হাজির করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। 
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রসিকিউটিং অফিসার বেল্লাল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নৌ-আদালতের মামলায় তাদের শ্যোন এরেস্ট দেখানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন।
এর আগে রোববার নৌ-আদালতের বিচারক স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগমের আদালতে লঞ্চের ইনচার্জ চালক মো. মাসুম বিল্লাহ ও ২য় চালক আবুল কালাম আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 
গত ২৮ ডিসেম্বর একই আদালতে লঞ্চের ইনচার্জ মাস্টার মো. রিয়াজ সিকদার ও দ্বিতীয় মাস্টার মো. খলিলুর রহমান আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 
এর আগে, গত ২৬ ডিসেম্বর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগমের নৌ-আদালতে নৌ-অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক মো. শফিকুর রহমান স্পেশাল মেরিন আইনের ৫৬/৬৬ ও ৭০ ধারায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। 
মামলার আসামিরা হলেন, লঞ্চের মালিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল আরাফ অ্যান্ড কোম্পানির চার মালিক মো. হামজালাল শেখ, মো. শামিম আহম্মেদ, মো. রাসেল আহাম্মেদ ও ফেরদৌস হাসান রাব্বি, ইনচার্জ মাস্টার মো. রিয়াজ সিকদার, ইনচার্জ চালক মো. মাসুম বিল্লাহ, দ্বিতীয় মাস্টার মো. খলিলুর রহমান ও দ্বিতীয় চালক আবুল কালাম। 
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ ডিসেম্বর আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদরঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে ‘এমভি অভিযান-১০’ বরগুনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। লঞ্চটি ঝালকাঠির নলছিটি থানা এলাকা অতিক্রম করার পর রাত আনুমানিক ৩টায় ইঞ্জিন রুমে আগুন লাগে। এ সময় ইনচার্জ মাস্টার, ইনচার্জ ড্রাইভার ও সেকেন্ড ড্রাইভার আগুন নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ না নেওয়ায় ৪৭ জন যাত্রী পুড়ে মারা যান। আনুমানিক শতাধিক যাত্রী দগ্ধ হন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 
নৌযানটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, লাইফ বয়া, বালির বাক্স ও বালতি ছিল না। ইঞ্জিন রুমের বাইরে অননুমোদিতভাবে অনেকগুলো ডিজেল বোঝাই ড্রাম ও রান্নায় ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার ছিল বলে মামলায় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat