×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-২৭
  • ৮৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা (দক্ষিণ) হাতে প্লাস্টিকের বস্তা। অনেকের সাথে থাকে ভ্যান। সারাদিন এমন বহু মানুষকে দেখা যায় শহরের আনাচেকানাচে। তাদের একমাত্র কাজ ফেলনা জিনিস ক্রয় বিক্রয় বা খোঁজা। কুমিল্লায় বসবাসকারী এমন ছয়’শ মানুষের আয়ের উৎস ফেলনা জিনিসপত্র। এদের বলা হয় ভাঙারি বিক্রেতা। যাদের পেশা বাসা বাড়ির পুরোনো জিনিসপত্র কেনা বা রাস্তা ও ময়লার বাঘাড়ে ফেলনা জিনিসপত্র খুঁজে বিক্রি করা। শহর ছেড়ে প্রতিদিন অনেকে গ্রামের পথেও পাড়ি দেন ফেলনা জিনিসের খোঁজে।
কুমিল্লার স্থানীয় ভাঙারি জিনিস বিক্রেতা শাকিল বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে শহরের হাঁটা শুরু করি। বাসাবাড়ি থেকে জিনিস পত্র কিনি। সারাদিন যা পাই তা নিয়ে সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরি। আমি ও আমার সাথের প্রায় ১৫-২০ জন থাকি একটা বস্তিতে। বাসস্থানে ফেরার আগেই বিক্রি করি সারাদিনের সব জিনিসপত্র। তিনি আরও জানান, অনেকে বেশি টাকা একবারে পাওয়ার উদ্দেশ্যে অনেক দিনের অর্জিত মালামাল একদিনে বিক্রি করেন। অনেকদিনের মালামাল বিক্রির অর্থ একসাথে নিয়ে থাকেন বা প্রতিদিনের টাকা আলাদাভাবেও নিতে পারে। যার যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই তাদের মালিকের সাথে চুক্তি করা থাকে। এ মালামাল বিক্রির টাকাতে চলে একজন হকারের সংসার।
হাজি তৈয়র আলী নামে চকবাজারের এক ভাঙারি দোকানদার বলেন, আমার দোকানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন হকার প্রতিদিন মালামাল নিয়ে আসে। অনেকে শহরের বাইরেও যায়। অনেক মহিলারাও আসেন। তারা আমার কাছে মালামাল বিক্রি করেন। আমি মালগুলো বড় বড় ফ্যাক্টরিতে পাঠাই।
কুমিল্লা শহরের অবস্থানরত এমন ছয়’শ মানুষের আয়ের পথই ফেলনা জিনিস বিক্রি করা। দিনে ৪০০-৫০০ টাকা আয় করা মানুষগুলোর অনেকেই কুমিল্লার বাইরের জেলা উপজেলা থেকে এসে কুমিল্লা শহরে হকারি ব্যবসায় জড়িত। তবে কুমিল্লায় স্থায়ী ভাঙারি বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি। এসব তথ্য জানান কুমিল্লা পুরাতন লৌহ ভাঙারি মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম।
তিনি আরও জানান, কুমিল্লা শহরে প্রায় একশত বিশটি ভাঙারি দোকান রয়েছে। এ একশত বিশটি দোকানেই ফেলনা মালামাল বিক্রি করেন হকাররা। এ মালামালগুলোর মধ্যে রয়েছে অব্যবহৃত প্লাস্টিকের জিনিসপত্র, লোহা ও স্টিলের জিনিসপত্র, আবার রয়েছে রাবার ও কাঁচের জিনিসপত্র। ফেলনা এই মালামালগুলো পাইকারি দরে কিনে আবার বিভিন্ন প্লাস্টিক কোম্পানি ও জ্বালানির কাজে ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয় বিভিন্ন মিল ও ফ্যক্টরিতে। আবার অনেক প্লাস্টিক দোকানি নিজেই ফেলনা প্লাস্টিক জিনিসপত্র দিয়ে নতুন করে প্লাস্টিক জিনিসপত্র তৈরি করেন। তার মধ্যে প্লাস্টিকের সুতা অন্যতম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat