×
ব্রেকিং নিউজ :
বিগত সরকারের স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি নজিরবিহীন : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে হজ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন সরকার ক্ষমতায় এসে দ্রুতই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাজধানীর কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা সরকারের : শিক্ষামন্ত্রী শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-১৬
  • ১৩১৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি:- কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীরা অর্থাভাবে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া হলেও তেমন কোনো অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের। গত ৯ এপ্রিল সচিবালয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কোটা আন্দোলনের ২০ নেতার সঙ্গে যে সমঝোতা বৈঠক হয় তাতে আহতদের চিকিৎসার পাশাপাশি আটক নির্দোষদের ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়। ওই বৈঠকে কোটা পদ্ধতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার কথা বলেছিলেন ওবায়দুল কাদের। আর সেখানে ছাত্ররা মেনে এলেও পরে তাদের মধ্যে অস্থিরতা ছড়ায়। আর সমঝোতা ভেঙে পরদিন ছাত্ররা আবার আন্দোলনে ফেরে। আর টানা দুই দিন রাজধানী স্থবির করে রাখার পর ১২ এপ্রিল সংসদে ‘কোনো কোটার দরকার নেই’ বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণে শান্ত হয় পরিস্থিতি। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা আছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, নারী ও জেলা কোটা ১০ শতাংশ করে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোটা ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী কোটা আছে এক শতাংশ। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, সব মিলিয়ে কোটা করতে হবে ১০ শতাংশ। তবে এই নগন্য পরিমাণ কোটা রাখার চেয়ে তুলে দেয়াই ভালো বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, সংস্কার করলে পরে আবার সংস্কারের দাবি উঠবে। বারবার মানুষকে আন্দোলনের নামে কষ্ট দিতে চান না তিনি। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের অনেক ভাই আন্দোলনের সময় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে এমনকি আইসিউতে ভর্তি রয়েছে। কিন্তু তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে গড়িমসি করা হচ্ছে।’ ‘অর্থের অভাবে অনেকের চিকিৎসা আটকে আছে। জানতে পেরেছি, আন্দোলনের সময় আহত ছাত্রদের মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজনের অপারেশনে ৫০ হাজার টাকা লাগবে। কিন্তু টাকার অভাবে এনাম মেডিকেলে ভর্তি সেই ছাত্রের চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না।’ ‘এখন জরুরি ভিত্তিতে ১০ হাজার টাকা লাগবে পায়ের একটি উপকরণ কিনতে কিনতে। কিন্তু টাকা না দেয়ার কারণে ডাক্তাররা অপারেশন করতে চাচ্ছেন না।’ তারেক জানান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশিক নামে এক ছাত্র ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউর ১৬ নম্বর শয্যায় ভর্তি রয়েছেন। তার বুকে গুলি লেগেছিল। ফুসফুসে আঘাত পেয়েছে। ভেতরে গুলি আছে কিন্তু নির্ণয় করতে দেরি করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সরকার বেশির ভাগ আটকদের মুক্তি দিলেও মামলা তুলে না নেয়ায় উৎকণ্ঠিত কোটা আন্দোলনের নেতারা। বিভিন্ন সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাথে জড়িত নেতাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে বিভিন্ন নেতিবাচক প্রচার ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের। কোটা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনে হামলার ঘটনায় চারটি এবং শাহবাগে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আরও চারটি মামলা হয়েছে। উপাচার্যের বাড়িতে হামলাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না বলে সংসদে প্রথানমন্ত্রী জানিয়েছেন। এই ঘটনায় পাওয়া ভিডিওচিত্র দেখে বেশ কিছু হামলাকারী শনাক্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের এবং ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat