×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১২-০৯
  • ৫৭৬৬২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস। ময়মনসিংহবাসী উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে ঐতিহাসিক ময়মনসিংহ মুক্ত দিবসটি উদযাপনের অপেক্ষায় রয়েছে।
১৯৭১ সালের এই দিনে প্রয়াত ধর্মমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের জেলা শাখার সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা এবং ভারতীয় মিত্র বাহিনী ব্রহ্মপুত্র নদের শম্ভুগঞ্জ ফেরিঘাট পার হয়ে ময়মনসিংহ শহরের দিকে যাত্রা করে। জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে সার্কিট হাউস মাঠে পৌঁছে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহকে মুক্ত করে।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও মুক্তিযোদ্ধা  জানান, মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনী সার্কিট হাউসের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় শত শত উল্লাসিত মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ী মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীকে স্বাগত জানায়। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে টাঙ্গাইল জেলা দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকায় পালিয়ে যায়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পাকিস্তানি বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলে এটিই প্রথম ভয়াবহ যুদ্ধছিল বলে মুক্তিযোদ্ধারা জানায়। ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল পাকিস্তানি সৈন্যরা ময়মনসিংহ শহরে প্রবেশ করে। জেলার হালুয়াঘাট থানার চেয়ে হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা তাদের শক্ত দখল গড়ে তোলে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সীমান্ত এলাকায় বেশ কয়েকটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা হালুয়াঘাট দখলদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করেন এবং ৮ ডিসেম্বর ফুলপুর ও ভালুকা, ফুলবাড়ীয়া, গৌরীপুর উপজেলা এবং ১০ ডিসেম্বর মুক্তাগাছা উপজেলাকে মুক্ত করেন। প্রতিবছর জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ময়মনসিংহে ঐতিহাসিক ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস উদযাপন করে আসছে।
দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যৌথভাবে সপ্তাহব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ১০টায় বিজয় র‌্যালি, এটি ছোটবাজার মুক্তমঞ্চ থেকে বের হবে। এর আগে জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধ পতাকা উত্তোলণ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়াও জেলার অন্যান্য উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মুক্ত দিবস পালিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat