×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৮-২৯
  • ২৩৪৩৭২৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়সহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
মামলায় সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, টিউলিপ সিদ্দিকী, রাদোয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, হাছান মাহমুদসহ সুনির্দিষ্ট ২৫ জন এবং অজ্ঞাত ৪ শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নগরীর হালিশহর এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মামুন আলী প্রকাশ কিং আলী আজ বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়, বাদী মোহাম্মদ মামুন আলী ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর হালিশহরস্থ কে এ জি এন্টারপ্রাইজ নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে জন্মদিনের কেক কাটার সময় হালিশহর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রণব চৌধুরীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ অতর্কিতে হামলা চালায়। পুলিশ উপস্থিত নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারধর করে ও জন্মদিনের কেক এবং আগত নেতাকর্মীদের আপ্যায়নের জন্য আনা খাবার তছনছ করে দেয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বাদীসহ ১৭ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে হালিশহর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তাঁদেরকে থানার অভ্যন্তরে টর্চার সেলে নিয়ে বেদম প্রহার করা হয়। ওসির ফোন থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কল করা হলে তিনি বাদীকে হুমকি দিয়ে বলেন, বাদী নাকি কেক না কেটে তার কলিজা কেটেছেন। এ অপরাধে তাকে হত্যা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। একইভাবে শেখ রেহানা ভিডিও কলে বাদীকে গালিগালাজ করে ক্রসফায়ারের হুমকি প্রদান করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালও ফোনে একই ধরণের আচরণ করেন। এসবের পর ওসি বাদীর কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং তা না হলে ক্রসফায়ারে দেয়ার হুমকি দেয়। পরদিন বাদীর পিতা ওসির হাতে ১০ লক্ষ টাকা তুলে দেন। 
মামলায় ওসি প্রণব ছাড়াও অপরাপর আসামিরা হলো: সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল বাহার, ডা. ফজল আমিনের পুত্র এরশাদুল আমিন, নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এস এম তানভীর আরাফাত, সাবেক এসআই জামাল উদ্দিন, মাহবুব মোরশেদ, হিমেল রায়, রেজাউল হোসাইন, জমির উদ্দিন, মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, সোহেল রানা, এএসআই বাবুল মিয়া, জহিরুল ইসলাম ও শরীফ হাসান।
বাদীর আরজি শুনানি শেষে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালত-৪ এর বিচারক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন হালিশহর থানার ওসিকে তদন্তপূর্বক মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন।  

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat